বর্ষবরণ উত্সবে যৌন নিপীড়ন : জড়িতদের শাস্তি দাবি
প্রকাশিত : ০২:২৬ পিএম, ৫ মে ২০১৫ মঙ্গলবার | আপডেট: ০২:২৬ পিএম, ৫ মে ২০১৫ মঙ্গলবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : বাংলা নববর্ষ বরণ উত্সবে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় জড়িতদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার ও শাস্তিসহ ৬ দফা দাবি করেছেন ছাত্র, শিক্ষকসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ।
সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘পাল্টা আঘাত’ ব্যানারে এক ছাত্র গণসমাবেশ এ দাবি করা হয়। ‘পাল্টা আঘাত’ শীর্ষক এই গণসমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।
সমাবেশে ছাত্রদের পক্ষ থেকে দায়িত্বে অবহেলাকারী প্রক্টরের পদত্যাগ, কর্তব্যরত পুলিশের দায়িত্বে অবহেলার তদন্ত ও বিচার,বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয়ভাবে যৌন নিপীড়ন বিরোধী নীতিমালা প্রণয়নের দাবি করা হয়।
পাল্টা আঘাত করে নিজেদের রক্ষা করার আহবান করে সমাবেশে সূচনা বক্তব্য রাখেন ‘বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন-এর সাধারণ সম্পাদক লাকি আক্তার।
আরো বক্তব্য রাখেন ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং তেল গ্যাস বিদ্যুত বন্দর ও খনিজ সম্পদ রক্ষার জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ,কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম,ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া প্রমুখ।
অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন,বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যৌন নির্যাতনের ঘটনা আমাদের জন্য লজ্জার। যতদিন পর্যন্ত না এই অপরাধের সাথে জড়িতরা ধরা পড়ে ও শাস্তি হয়, তত দিন পর্যন্ত এর বিরুদ্ধে আন্দোলন যৌক্তিক। আমি এই আন্দোলনের সাথে একত্মতা ঘোষণা করছি।
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন,দেশ আজ কৃষ্ণপক্ষে নিমজ্জিত। পহেলা বৈশাখে ঘটে যাওয়া ঘটনার পুনরাবৃত্তি না চাইলে আমাদের সমাজ ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন দরকার।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন,প্রশাসন এই ঘটনা অস্বীকার করার মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের রক্ষা করার চেষ্টা করছে। এজন্য পাল্টা আঘাত কর্মসূচি চালিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, নারী স্বাধীনতার প্রধান উপায় হল নারীদের কর্মস্থলে আরও বেশি প্রসারিত করতে হবে।
সমাবেশে প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সংগীত পরিবেশনা করে,সাংস্কৃতিক ইউনিয়ন এবং উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের সমালোচনা করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
০৫.০৫.২০১৫ 