ঢাকা, রবিবার ২৯, মার্চ ২০২৬ ১৭:২০:৩৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়েছে

স্বাস্থ্য ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ১২:০৮ পিএম, ৫ অক্টোবর ২০১৮ শুক্রবার | আপডেট: ০২:০৩ পিএম, ৬ অক্টোবর ২০১৮ শনিবার

চলতি বছরের শুরু থেকে বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) পর্যন্ত সরকারি হিসেবে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৪৭৯ জনে। বিগত বছরগুলোর মধ্যে ২০০২ এ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিলো সর্বোচ্চ সংখ্যক ৬ হাজার ২৩২ জন। সেই হিসেবে এ বছরের ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ডেঙ্গু প্রকোপ অঞ্চলে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যাণ্ড, পূর্ব তিমুর ও উত্তর কোরিয়া রয়েছে। সংস্থাটি বলছে, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ মানুষ এই অঞ্চলে বসবাস করে। দ্রুত নগরায়ণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এই অঞ্চলে এই দুটি রোগ ছাড়াও কীটবাহিত অন্যান্য রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।

 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো মৃত্যু না হলেও বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ৫৬ জন। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩৫ জন, মিটফোর্ড হাসপাতালে ৪৫ জন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩১ জন, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ১৬ জন, বারডেম হাসপাতালে চার জন, পিলখানার বিজিবি হাসপাতাল ৮ জনসহ ঢাকার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ২৭৬ জন ভর্তি রয়েছেন।

 

অপরদিকে, এখন পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়ে সরকারি হাসপাতাল থেকে ঘরে ফিরেছেন ছয় হাজার ১৮৭ জন। এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের।

 

চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট মারা যায় ১৬ জন। তবে এর মধ্যে নারী এবং শিশুর সংখ্যাই বেশি।


স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, দেশে প্রথম ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা যায় ২০০০ সালে। সে বছরে রেকর্ড সংখ্যক ৯৩ জন রোগী মারা যান। মোট রোগী ছিলেন ৫ হাজার ৫৫১ জন। ২০০১ সালে দুই হাজার ৪৩০ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ৪৪ জন রোগী, ২০০২ সালে ৬ হাজার ২৩২ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ৫৮ জন, ২০০৩ সালে ৪৮৬ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ১০ জন, ২০০৪ সালে ৩ হাজার ৪৩৪ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ১৩ জন, ২০০৫ সালে ১ হাজার ৪৮ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ৪ জন, ২০০৬ সালে মারা যান ১১ জন, রোগী ছিলেন দুই হাজার ২শ জন, ২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত কেউ মারা না গেলেও রোগী সংখ্যা ছিলেন যথাক্রমে ৪৬৬ জন, এক হাজার ১৫৩ জন, ৪৭৪ জন এবং ৪০৯ জন। তবে তার পরের বছর থেকেই আবারও রোগীর মৃত্যু শুরু হয়।

 

২০১১ সালে মারা যান ৬ জন, রোগী ছিলেন এক হাজার ৩৫৯ জন, ২০১২ সালে মারা যান একজন, রোগী ছিলেন ৬৭১ জন। ২০১৩ সালে মারা যান ২ জন, রোগী ছিলেন এক হাজার ৭৪৯ জন। আবার ২০১৪ সালে কেউ মারা না গেলেও রোগী ছিলেন ৩৭৫ জন। ২০১৫ সালে মারা যান ৬ জন, রোগী ছিলেন ৩ হাজার ১৬২ জন। ২০১৬ সালে মারা যান ১৪ জন, রোগী ছিলেন ছয় হাজার ৬০ জন এবং গত বছরে মারা যান ৮ জন এবং রোগী সংখ্যা ছিল দুই হাজার ৭৬৯ জন।