ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৯, জানুয়ারি ২০২৬ ১:৩২:৪০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

বছরে ৮০ কোটি ডিভাইস নিয়ে আসবে স্যামসাং

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৩১ এএম, ৬ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্যামসাং। চলতি বছর এআই সুবিধাসম্পন্ন মোবাইল ডিভাইসের সংখ্যা দ্বিগুণ করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

গুগলের জেমিনি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা ডিভাইসের সংখ্যা বাড়ানো হবে। সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ৮০ কোটি ইউনিটে। এই তথ্য জানিয়েছেন স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের সহ–প্রধান নির্বাহী টি এম রো। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

গত বছর পর্যন্ত স্যামসাংয়ের প্রায় ৪০ কোটি ডিভাইসে জেমিনি–চালিত এআই সুবিধা ছিল। এর মধ্যে স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট রয়েছে। ২০২৬ সালে সেই সংখ্যা দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি জায়ান্টটি।

টি এম রো বলেন, যত দ্রুত সম্ভব সব পণ্য, সব ফিচার ও সব সেবায় এআই যুক্ত করা হবে। নভেম্বরে সহ–প্রধান নির্বাহী হওয়ার পর এটিই তার প্রথম সাক্ষাৎকার।

স্যামসাং বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস নির্মাতা। এই সিদ্ধান্ত গুগলের জন্যও বড় সুবিধা বয়ে আনবে। কারণ এআই প্রতিযোগিতায় গুগল রয়েছে ওপেনএআইসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের মুখোমুখি। 

সূত্র বলছে, স্যামসাং আবার স্মার্টফোন বাজারে শীর্ষস্থান দখল করতে চায়। একসময় এই অবস্থানে ছিল প্রতিষ্ঠানটি। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অ্যাপল এগিয়ে গেছে।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট জানায়, গত বছর শীর্ষ স্মার্টফোন নির্মাতা ছিল অ্যাপল। তবু এআই ফিচারে অ্যাপলের চেয়ে এগিয়ে থাকতে চায় স্যামসাং। এআই সুবিধাকে মূল অস্ত্র হিসেবে দেখছে তারা।

মোবাইলের পাশাপাশি টিভি ও গৃহস্থালি যন্ত্রপাতিতেও এআই সেবা যুক্ত করা হবে। এই সব বিভাগের দায়িত্বেও রয়েছেন টি এম রো।

স্যামসাংয়ের অভ্যন্তরীণ জরিপ বলছে, এক বছরে গ্যালাক্সি এআই ব্র্যান্ডের পরিচিতি বেড়েছে ব্যাপকভাবে। আগে যেখানে মাত্র ৩০ শতাংশ মানুষ জানত, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ শতাংশে।

টি এম রো বলেন, এআই নিয়ে এখনো কিছু সংশয় আছে। তবে ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে এই প্রযুক্তি আরও ছড়িয়ে পড়বে।

বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের সংকট চলছে। এটি স্যামসাংয়ের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবসার জন্য ইতিবাচক। তবে স্মার্টফোন ব্যবসায় বাড়ছে খরচের চাপ। টি এম রো বলেন, এই পরিস্থিতি নজিরবিহীন। কোনো কোম্পানিই এর প্রভাব থেকে মুক্ত নয়।

দাম বাড়ানোর সম্ভাবনাও নাকচ করেননি তিনি। তবে প্রভাব কমাতে অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছে স্যামসাং।