পোস্টাল ভোট কী, কারা দিতে পারবেন এবং যেভাবে আবেদন করবেন
আইরীন নিয়াজী মান্না
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ১১:২৭ এএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার
প্রতীকী ছবি।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না—এমন ভোটারদের জন্য রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা, যাকে বলা হয় ‘পোস্টাল ভোট’। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির ভোটার এই পদ্ধতিতে আগেই ভোট দিতে পারেন।
পোস্টাল ভোট হলো ডাকযোগে ভোট দেওয়ার একটি ব্যবস্থা। যেসব ভোটার নির্বাচনের দিনে নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে পারবেন না, তারা আগে থেকেই ব্যালট পেপারে ভোট দিয়ে তা নির্ধারিত ঠিকানায় পাঠাতে পারেন।
কারা পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন:
নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী—
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, যারা নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, প্রবাসে অবস্থানরত ভোটার, চিকিৎসাজনিত কারণে চলাফেরা করতে অক্ষম ভোটার, কারাবন্দি ভোটার (আইনানুগভাবে ভোটাধিকার থাকলে)।
কীভাবে আবেদন করতে হবে:
পোস্টাল ভোট দিতে ইচ্ছুক ভোটারকে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করতে হবে। আবেদনে ভোটারের নাম, ভোটার নম্বর, ঠিকানা ও ভোট দেওয়ার কারণ উল্লেখ করতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভোটারকে ডাকযোগে ব্যালট পেপার পাঠাবে।
ভোট দেওয়ার পদ্ধতি:
ভোটার ব্যালট পেপারে নিজের পছন্দের প্রার্থীর পাশে সিল দিয়ে তা নির্ধারিত খামে ভরে ডাকযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যালট পৌঁছাতে না পারলে সেই ভোট গণনায় ধরা হবে না।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা:
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে ভোট প্রদান পুরোপুরি গোপনীয় এবং আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য। তবে সময়মতো আবেদন ও ব্যালট পাঠানো নিশ্চিত করতে হবে।
নির্বাচনের দিন যারা ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হতে পারবেন না, তাদের জন্য পোস্টাল ভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ বলে মনে করছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোট দিতে না পারা ভোটারদের জন্য ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে ইতিমধ্যে ১৩ লক্ষ ভোটার নিবন্ধন করেছেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসী, সরকারি কর্মচারী ও অন্যান্য যোগ্য ভোটাররা এই অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন।
