গাজা গণহত্যা: ফ্রান্সে দুই ইসরায়েলি নারীর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০২:৩৪ পিএম, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বুধবার
ছবি: সংগ্রহিত।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় গণহত্যায় সহায়তার অভিযোগে নিলি কুফার-নাউরি ও র্যাচেল তিউতু নামের দুই ইসরায়েলি নারীর বিরুদ্ধে ফ্রান্সের কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। কট্টরপন্থী এই দুই নারী ইসরায়েলের পাশাপাশি ফ্রান্সের নাগরিক। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে ফরাসি সংবাদপত্র লে মঁদ গত সোমবার জানিয়েছে।
নিলি কুফার-নাউরি একজন ফরাসি-ইসরায়েলি আইনজীবী এবং ‘ইসরায়েল ইজ ফরএভার’ নামের একটি সংগঠনের প্রধান। অন্যদিকে র্যাচেল তিউতু ‘তসাভ ৯’ নামের একটি সংগঠনের মুখপাত্র। গাজায় ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশে বাধা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের সরাসরি ভূমিকা ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়টি কুফার-নাউরি নিজেও নিশ্চিত করেছেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, “বিপদ হলো আমি হয়তো আর কখনোই ফ্রান্সে যেতে পারব না, কারণ ফরাসি কারাগারে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা আমার নেই।”
ফ্রান্সের সঙ্গে পাশাপাশি, ‘তসাভ ৯’ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলমান। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠন ‘আল-হক’সহ আরও কিছু ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন এই দুই নারীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের সঙ্গে যুক্ত।
ইসরায়েলি দখলদার কর্তৃপক্ষ এর আগে আল-হককে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। মানবাধিকারকর্মীরা উল্লেখ করেছেন, গাজায় সংকটজনক পরিস্থিতিতে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তার প্রবেশ বাধাগ্রস্ত করা ঘটনাকে গণহত্যার অন্যতম উপাদান হিসেবে দেখা হয়।
ফ্রান্সের এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্প্রদায় এবং ফিলিস্তিনি সমর্থকরা গুরুত্বপূর্ণ আইনগত উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির মাধ্যমে গাজায় মানবিক সহায়তার বাধাগ্রস্তকরণের অভিযোগকে আইনি পর্যায়ে আনা হয়েছে।
তথ্যসূত্র : দ্য মিডল ইস্ট মনিটর
