আজ থেকে নির্বাচনের মাঠে থাকছেন ১০৫১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
অনলাইন ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ১১:৩৭ এএম, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রবিবার
আজ থেকে নির্বাচনের মাঠে থাকছেন ১০৫১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে (১২ ফেব্রুয়ারি) সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে সারাদেশে মাঠে নামছেন ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তারা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত (ভোটের পর দুই দিন) মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবেন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গতকাল শনিবার গণমাধ্যমকে জানান, সেনাবাহিনী আগে থেকেই আংশিক মোতায়েন রয়েছে। আজ থেকে আরও সদস্য যুক্ত হচ্ছে। আনুষ্ঠানিকভাবে সশস্ত্র বাহিনী ভোটের আগে-পরে সাত দিন (৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি) মাঠে থাকবে।
তিনি বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। তারা জানিয়েছে—দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভালো এবং নির্বাচনের জন্য সহায়ক। সব ব্যালট বাক্স জেলায় পৌঁছে গেছে। রিটার্নিং অফিসাররা গ্রহণ করছেন। সবাই এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।”
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী, এবার নির্বাচনে মোট প্রায় ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। বাহিনীভিত্তিক মোতায়েনের সংখ্যা:
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি): ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন
সেনাবাহিনী: ১ লাখ ৩ হাজার
নৌবাহিনী: ৫ হাজার
বিমানবাহিনী: ৩ হাজার ৭৩০ জন
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি): ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন
কোস্ট গার্ড: ৩ হাজার ৫৮৫ জন
পুলিশ: ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন
র্যাব: ৯ হাজার ৩৪৯ জন
চৌকিদার-দফাদার: ৪৫ হাজার ৮২০ জন
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনী এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, র্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানাভিত্তিক দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড মোতায়েন থাকবে।
সব বাহিনী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের অধীনে রিপোর্ট করবে এবং তাদের নির্দেশ ও পরামর্শ অনুসারে দায়িত্ব পালন করবে।
এদিকে, আমন্ত্রিত বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্য নির্বাচন কমিশন বিশেষ প্রটোকলের ব্যবস্থা করছে। তারা নির্বাচনী পরিবেশ, প্রক্রিয়া ও ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করবেন।
নির্বাচনের মাত্র চার দিন বাকি থাকায় দেশজুড়ে প্রচারণা তুঙ্গে। সবাই চাইছে—এই ভোট যেন সত্যিকারের গণতান্ত্রিক উৎসব হয়ে ওঠে।
