ঢাকা, মঙ্গলবার ১০, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২:১২:০০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হচ্ছে কাল মঙ্গলবার সকালে

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:১৪ পিএম, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সোমবার

ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, সব রাজনৈতিক দলের প্রচারণা আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা থেকে ৭:৩০ মিনিট পর্যন্ত সীমিত থাকবে। এ সময়ের পর থেকে ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টার নীরব সময় শুরু হবে, যা ভোটের পরিবেশ শান্ত ও সংবেদনশীল রাখতে আইনত বাধ্যতামূলক। 

এই সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল র‌্যালি, মিটিং, পুস্তিকা বিতরণ, নির্বাচনী স্লোগান বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালাতে পারবে না।

ইসি সচিব বলেন, “নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন এবং ভোটার যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারে, সে জন্য প্রচারণার সময় সীমিত করা হয়েছে। সকাল ৭টা–৭:৩০টার পর থেকে আইন অনুযায়ী কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য হবে না।” তিনি আরও বলেন, প্রচারণার এই সীমাবদ্ধতা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ ও নির্বাচনী কর্মকর্তারা দায়িত্বশীলভাবে মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন।

জানা গেছে, ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭:৩০ মিনিটে ভোটগ্রহণ শুরু হবে এবং সকাল ১০টা পর্যন্ত কেন্দ্র খোলা থাকবে। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টার শান্তি ও ভোটের দিন প্রচারণার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধতা ভোটারের স্বাধীন ও নীরব ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে অপরিহার্য।

নির্বাচনী বিশ্লেষকরা বলছেন, শেষ মুহূর্তের প্রচারণা প্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভোটাররা এই সময় প্রার্থী ও দলের কার্যক্রমকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করে এবং ভোট প্রদানে প্রভাবিত হয়। বিশেষ করে সংবেদনশীল ও বড় আসনে শেষ মুহূর্তের প্রচারণা প্রার্থীর সমর্থন বাড়াতে সহায়ক। তবে ইসি সচিবের নির্দেশ, কোনো প্রার্থীকে আইন লঙ্ঘন করা হলে নির্বাচনী অপরাধের মামলা দায়ের করা হবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমন পরিস্থিতিতে প্রার্থীদের জন্য আজকের প্রচারণা এক ধরনের চূড়ান্ত মুহূর্ত। রাজনৈতিক দলগুলো এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারবে এবং ভোটের দিন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে পুলিশ ও নির্বাচন কর্মকর্তারা সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রচারণা মধ্যরাতে বন্ধ হবে না, বরং আগামীকাল সকালেই এটি সম্পূর্ণভাবে শেষ হবে, এবং ভোটের আগের ৪৮ ঘণ্টার শান্তি ও ভোটের দিন সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত হবে।

এইভাবে নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করছে, ভোটারের জন্য নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সংবেদনশীল ভোটের পরিবেশ বজায় থাকবে, যেখানে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের নিয়ন্ত্রণ এবং আইন মেনে চলা বাধ্যতামূলক।