ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রাবি অধ্যাপককে অব্যাহতি
রাবি প্রতিনিধি
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৫:০৪ পিএম, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বুধবার
প্রতীকী ছবি।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. দুলাল আলী মোল্লার বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন এক ছাত্রী।
গত ৪ জানুয়ারি রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানায় মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। তদন্তের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রকার একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে তাঁকে অব্যাহতি দিয়েছে প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর প্রশাসক অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. দুলাল আলী মোল্লাহকে সকল প্রকার একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানিসহ শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে সোমবার অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৫৪৬তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছাত্রীর সঙ্গে ২০২১ সাল থেকে ওই শিক্ষকের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের এক পর্যায়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিয়ের কথাবার্তাও চলে। গত ২৭ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৮-৯টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষক তার মায়ের অসুস্থতার কথা বলে ওই নারীকে চন্দ্রিমা থানাধীন পদ্মা আবাসিক এলাকায় তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে তাকে আটকে রেখে বার বার ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরদিন (২৮ ডিসেম্বর) ভোরে অভিযুক্ত শিক্ষক কৌশলে বাসা থেকে পালিয়ে যান এবং পরে জনৈক এক নারীকে ‘বউ’সাজিয়ে এবং আরও তিন সহযোগীসহ বাসায় ফিরে আসেন। সেখানে ভুক্তভোগীকে মারধর ও শারীরিক-মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার থেকে আরও জানা যায়, নির্যাতনের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাকে বাসায় একা ফেলে এবং গ্যাস-পানি বন্ধ করে দিয়ে চলে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেন।
