ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৩:৩১:৩৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

রাত পোহালেই ভোট: দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ

জোসেফ সরকার

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:০০ এএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

রাত পোহালেই দেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে চলবে ভোটগ্রহণ। দেশের প্রায় ৯ কোটি ৮০ লাখ ভোটার এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আগামী পাঁচ বছরের সরকারের রূপরেখা ঠিক করবেন। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই নিরাপত্তা এবং সুষ্ঠু ভোট প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে পুলিশ, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক মিশনও দেশে এসে ভোটের প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন, যা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও বৈধতা বাড়াবে।

নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের প্রচারণা চলছে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে। ভোটারদের কাছে সব দলই আহ্বান জানাচ্ছে—শান্তিপূর্ণভাবে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করতে। ইসি জানাচ্ছে, ভোটগ্রহণের পর রিটার্নিং অফিসাররা কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল গণনা করবেন, যা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের প্রথম ধাপ হবে।

রাজধানী এবং প্রান্তিক এলাকায় ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, কমিউনিটি হল, সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ নিরাপত্তা জোনে সেনা ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে ভোটারদের সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে কোনো বাধা না আসে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের বিষয় নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যতের নীতি নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। ভোটাররা আগামীকাল কেবল তাদের প্রার্থী বাছবেন না, বরং দেশের ক্ষমতার ভারসাম্য এবং রাজনৈতিক দিকনির্দেশনাও নির্ধারণ করবেন।

নির্বাচনের আগের রাত, দেশের শহর ও গ্রামে শান্তি ও নিরাপত্তার আহ্বান সর্বত্র প্রচলিত। ইসি জানিয়েছে, ভোটারদের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম, ব্যালট, ভোটার তালিকা এবং পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

শেষ মুহূর্তে রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকলেও ভোটারদের কাছে আহ্বান একটাই:
শান্তিপূর্ণভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন এবং দেশের ভবিষ্যতের দিকনির্ধারণে অংশ নিন।