অস্ট্রেলিয়ার ভাগ্য এখন জিম্বাবুয়ের হাতে
খেলাধুলা ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০২:৩৩ পিএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার
অস্ট্রেলিয়ার ভাগ্য এখন জিম্বাবুয়ের হাতে
টানা দুই হারে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চলতি আসর থেকে ছিটকে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে অস্ট্রেলিয়া। অনেক যদি-কিন্তুর উপর নির্ভর করছে আসরে তাদের টিকে থাকা। বিষয়টি এখন আর তাদের হাতে নেই বলে হতাশ কণ্ঠে জানিয়েছেন মিচেল মার্শও। সবকিছু এখন নিয়তির হাতে ছেড়ে দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক।
পাল্লেকেলেতে সোমবার ১৮১ রান তাড়ায় অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে হারায় শ্রীলঙ্কা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এত বেশি রান তাড়া করে জেতেনি আর কেউ।
তিন ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপ থেকে শ্রীলঙ্কা পৌঁছে গেছে সুপার এইটে। দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আছে জিম্বাবুয়ে। তিন ম্যাচে ২ পয়েন্ট করে নিয়ে অস্ট্রেলিয়া তিনে, আয়ারল্যান্ড চারে আছে। এখনও কোনো পয়েন্ট পায়নি ওমান।
জিম্বাবুয়ে এখন নিজেদের পরের দুই ম্যাচে আয়ারল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে যেকোনো একটি দলকে হারাতে পারলে উঠবে সুপার এইটে। জিম্বাবুয়ে এ দুই ম্যাচে হারলেও ওমানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিততে হবে অস্ট্রেলিয়াকে। সব মিলিয়ে মিচেল মার্শদের ভাগ্য আর তাদের হাতে নেই। ম্যাচ শেষে সেটাই বললেন মার্শ।
‘দলটা বেশ ভেঙে পড়েছে। সবাই ভীষণ হতাশ আর আমাদের ভাগ্য এখন নিয়তির হাতে। ড্রেসিংরুমে আবেগ এখন বেশ তীব্র। আমরা নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারিনি।’
“আর হ্যাঁ, আমরা জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড ম্যাচটি দেখব এবং আমরা আশা করব.... কিন্তু হ্যাঁ, এই মুহূর্তে আমরা হতাশ।”
শ্রীলঙ্কার জয়ের নায়ক পাথুম নিশাঙ্কা করেন ৫২ বলে অপরাজিত ১০০ রান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটি প্রথম কোনো সেঞ্চুরি। তবে মার্শের মতে তারা ম্যাচ হেরেছে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত শুরুর পরও সংগ্রহটা বাড়াতে না পারায়।
‘পরিকল্পনা কাজে লাগাতে না পারার ফলটা পেয়েছি আমরা। পূর্ণশক্তির এই ব্যাটিং লাইনআপে স্পিনে অস্ট্রেলিয়ার কিছু সেরা খেলোয়াড় আছেন। শ্রীলঙ্কা দারুণভাবে ম্যাচে ফিরেছে। আমরা খুব ভালো শুরু পেয়েও কম রান করেছি। এ রানগুলো আমাদের দরকার ছিল দ্বিতীয় ইনিংসে নামার আগে। এই বিশ্বাসটা ছিল যে পারব, কিন্তু আমরা সম্পূর্ণভাবে পরাজিত হয়েছি।’
আগে ব্যাট করে ৮ ওভারে বিনা উইকেটে ৯৭ তোলে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু পরের ১২ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে তারা রান তুলতে পারে ওভারপ্রতি ৭ করে।
১০৪ রানের উদ্বোধনী জুটির পর আর বড় কোনো জুটি না হওয়ায় আক্ষেপ মার্শের কণ্ঠে।
“আমরা জানি না ২২০ রান করতে পারলে কী হতো; কিন্তু আমি আগেই বলেছি, আমাদের ভালো একটা ভিত ছিল এবং সেটা কাজে লাগাতে পারিনি আমরা। আমি জানি, এই কন্ডিশনে জুটি গড়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উদ্বোধনী জুটির বাইরে, আমরা আর কোনো বড় জুটি পাইনি।”
