ঢাকা, শুক্রবার ২৭, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৬:০৫:০২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

টিউলিপ সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করতে রেড নোটিশের নির্দেশ

আদালত প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:১৬ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার

টিউলিপ সিদ্দিক

টিউলিপ সিদ্দিক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার গুলশান-২ এলাকায় অবৈধভাবে একটি ফ্ল্যাট গ্রহণ সংক্রান্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর রেড নোটিশ জারির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে ইন্টারপোলকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

আবেদনে বলা হয়, গুলশানের ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের একটি ফ্ল্যাট গুরুতর অনিয়মের কারণে হস্তান্তরযোগ্য ছিল না। বিষয়টি জানা সত্ত্বেও টিউলিপ সিদ্দিক প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনার আত্মীয় পরিচয় ও প্রভাব খাটিয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)–এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করেন। এর মাধ্যমে ফ্ল্যাট বিক্রির অনুমোদন আদায় করে বিনা মূল্যে ফ্ল্যাট গ্রহণ করেন তিনি।

দুদকের আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মামলা হওয়ার আগেই টিউলিপ সিদ্দিক দেশত্যাগ করেন এবং মামলার প্রমাণ ও আলামত নষ্টের চেষ্টা করেছেন। এ কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা জরুরি হয়ে পড়ে। আসামি বিদেশে অবস্থান করায় ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ প্রয়োজন বলে আদালতকে জানানো হয়।

এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে একই আদালত টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই দিন রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

উল্লেখ্য, গুলশানে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ফ্ল্যাট অবৈধভাবে গ্রহণের অভিযোগে গত বছরের ১৫ এপ্রিল টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, রাজউকের সাবেক দুই কর্মকর্তা শাহ মো. খসরুজ্জামান ও সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা যোগসাজশে কোনো অর্থ পরিশোধ না করে অবৈধভাবে ফ্ল্যাট দখল ও পরে রেজিস্ট্রি করেন। তদন্ত শেষে গত ১১ ডিসেম্বর দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক)/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় টিউলিপ সিদ্দিক ও সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

এর আগে প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির পৃথক তিন মামলায় টিউলিপ সিদ্দিকের দুই বছর করে মোট ছয় বছরের কারাদণ্ড হয়।