ষষ্ঠ দিনেও বইমেলায় নেই পাঠক-ক্রেতার ভিড়
রাতুল মাঝি
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৯:১৮ পিএম, ৩ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার
ছবি: সংগ্রহিত।
অমর একুশে বইমেলার ষষ্ঠ দিনে প্রত্যাশিত ভিড় দেখা যায়নি। বিকেল ৩টায় মেলা শুরু হলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম। ছুটির দিন না হওয়া এবং কর্মদিবস হওয়ায় মেলায় পাঠকের উপস্থিতি ছিল সীমিত।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বেশিরভাগ পথেই স্বাভাবিক হাঁটাচলা করা যাচ্ছে। স্টলগুলোর সামনে দীর্ঘ লাইনের চিত্র দেখা যায়নি। কয়েকটি বড় প্রকাশনীর স্টলে অল্পসংখ্যক পাঠক বই দেখছেন, তবে তা আগের বছরের তুলনায় অনেকটাই কম।
বিকেল থেকেই মেলার কার্যক্রম
প্রতিদিনের মতো আজও বিকেল ৩টায় মেলা খুলে দেওয়া হয়। প্রথম ঘণ্টায় মেলায় দর্শনার্থীর উপস্থিতি ছিল খুবই কম। ধীরে ধীরে বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কিছু পাঠক প্রবেশ করলেও সন্ধ্যার পরও মেলা পুরোপুরি জমে ওঠেনি।
এক প্রকাশক বলেন,
“শুরুতে সাধারণত পাঠক কমই থাকে। সপ্তাহের মাঝামাঝি হওয়ায় আজ বিক্রি তেমন হয়নি।”
নতুন বইয়ের সংখ্যা সীমিত
আজ মেলায় নতুন বই এসেছে, তবে সংখ্যাটি খুব বেশি নয়। প্রকাশক সূত্রে জানা গেছে, আজ অল্পসংখ্যক নতুন বই প্রকাশিত হয়েছে। কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধধর্মী বই বেশি এসেছে। তবে বড় কোনো আলোচিত বই আজ প্রকাশ পায়নি।
এক স্টল কর্মী বলেন,
“আজ নতুন বই কম এসেছে। পাঠকের আগ্রহও তুলনামূলক কম ছিল।”
পাঠকদের মতামত
মেলায় আসা কয়েকজন পাঠক জানান,
শুরুতে ঘুরে দেখতেই এসেছেন, বড় কেনাকাটা করবেন পরে।
এক কলেজছাত্র বলেন,
“এখনো মেলার আসল আমেজ শুরু হয়নি। পরে ছুটির দিনে আবার আসব।”
বিক্রি কম, অপেক্ষায় প্রকাশকরা
প্রকাশকদের ভাষ্য অনুযায়ী, আজ বিক্রির পরিমাণ খুব বেশি নয়। অনেকেই সন্ধ্যার পর কিছুটা বিক্রি হয়েছে বলে জানালেও সার্বিকভাবে দিনটি ছিল মন্দাভাবাপন্ন।
এক প্রকাশক বলেন,
“শুক্র–শনিবারে ভিড় হবে আশা করছি। তখন বিক্রি বাড়বে।”
সামগ্রিক চিত্র
সব মিলিয়ে বইমেলার ষষ্ঠ দিনে ছিল নিরুত্তাপ পরিবেশ। ভিড় কম, নতুন বইয়ের সংখ্যাও সীমিত। পাঠক ও প্রকাশক—উভয়েই এখন অপেক্ষায় সপ্তাহান্তের, যখন মেলায় প্রাণ ফিরবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
