ঢাকা, শনিবার ০৭, মার্চ ২০২৬ ১১:৫২:৪৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

রাজধানীর মালিবাগে জমে উঠেছে ইফতার বাজার

অনু সরকার

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৫:৩৫ পিএম, ৬ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

পবিত্র রমজান মাসে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বসে ইফতারের জমজমাট বাজার। এরই মধ্যে রাজধানীর ব্যস্ত এলাকা মালিবাগে জমে উঠেছে ইফতার বাজার। রকমারি খাবারের ঘ্রাণে সরগরম সন্ধ্যার বাজার। বিকেল গড়াতেই রাস্তার দু’পাশে সারি সারি দোকান, রকমারি ইফতার সামগ্রী আর ক্রেতাদের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠছে পুরো এলাকা।

সরজমিনে দেখা যায়, বিকেল তিনটার পর থেকেই মালিবাগ মোড় ও আশপাশের এলাকায় একে একে বসতে শুরু করে অস্থায়ী ইফতারের দোকান। বড় বড় ট্রেতে সাজানো থাকে বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ, ডালপুরি, চিকেন রোল, কাবাব, হালিমসহ নানা ধরনের মুখরোচক খাবার। এসব খাবারের ঘ্রাণে পুরো এলাকা যেন হয়ে ওঠে উৎসবমুখর।

বিক্রেতারা জানান, প্রতিদিন বিকেলের দিকে ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে। অফিস শেষ করে কিংবা বাসায় ফেরার পথে অনেকেই এখান থেকে ইফতার কিনে নিয়ে যান। ফলে ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে বাজারে দেখা যায় উপচে পড়া ভিড়।

ইফতার কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, “মালিবাগে অনেক ধরনের ইফতার পাওয়া যায়। বাসায় সব সময় বানানো সম্ভব হয় না, তাই মাঝে মাঝে এখান থেকেই কিনে নিয়ে যাই।”

আরেক ক্রেতা জানান, “এখানে দাম তুলনামূলক কম, আর স্বাদও ভালো। তাই প্রতিদিন অনেক মানুষ এখান থেকে ইফতার কিনছেন।”

বিক্রেতারা বলছেন, রমজান শুরু হওয়ার পর থেকেই ব্যবসা ভালো হচ্ছে। প্রতিদিন বিকেলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অধিকাংশ খাবার বিক্রি হয়ে যায়।

এক বিক্রেতা বলেন, “বিকেল চারটা থেকে ক্রেতা আসা শুরু হয়। ইফতারের আগ পর্যন্ত খুব ব্যস্ত থাকতে হয়। বিশেষ করে বেগুনি, পেঁয়াজু আর হালিমের চাহিদা বেশি।”

তবে ক্রেতাদের কেউ কেউ খোলা পরিবেশে খাবার বিক্রি হওয়া নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবার তৈরি ও বিক্রি করা হলে ক্রেতাদের আস্থা আরও বাড়বে।

মালিবাগের ইফতার বাজারে শুধু স্থানীয় বাসিন্দাই নন, আশপাশের এলাকা থেকেও মানুষ আসছেন। পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে এসে অনেকেই পছন্দের খাবার কিনে নিচ্ছেন।

রমজানের দিন যত এগোচ্ছে, ততই জমে উঠছে এই ইফতার বাজার। বিকেলের শেষ আলো আর খাবারের ঘ্রাণে মালিবাগ যেন প্রতিদিন সন্ধ্যার আগে এক ছোট্ট উৎসবের রূপ নেয়। ক্রেতা–বিক্রেতাদের কোলাহলে তাই এখন প্রতিদিনই প্রাণ ফিরে পাচ্ছে রাজধানীর এই ব্যস্ত এলাকা।