ঢাকা, শনিবার ০৭, মার্চ ২০২৬ ১৫:৩৯:২৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

রোজায় চাহিদা বাড়ায় ডিমের দাম ঊর্ধ্বমুখী

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৫৩ এএম, ৭ মার্চ ২০২৬ শনিবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে রমজান মাসে ডিমের দাম আবারও বাড়তির দিকে। ইফতার ও সেহরিতে ডিমের ব্যবহার বেশি হওয়ায় চাহিদা বাড়ছে। ফলে বাজারে সরবরাহ মোটামুটি থাকলেও দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট ও মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। আর সাদা ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫৫ টাকার মধ্যে। কিছু খুচরা দোকানে দাম আরও কয়েক টাকা বেশি রাখা হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানে ডিমের চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেড়ে যায়। ইফতারে ডিমের চপ, ডিমের ডেভিলসহ বিভিন্ন খাবারে ডিম ব্যবহারের কারণে বাজারে চাপ তৈরি হয়।

কারওয়ান বাজারের ডিম বিক্রেতা মো. সোহেল বলেন, “রমজানে ডিমের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। পাইকারি বাজারেই ডিমের দাম একটু বেশি। আমরা বেশি দামে কিনে আনলে খুচরায় কম দামে বিক্রি করা কঠিন হয়ে পড়ে।”

নিউমার্কেট এলাকার আরেক ব্যবসায়ী আবদুল করিম জানান, পাইকারি বাজার থেকে প্রতি ডজন ডিম ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় কিনতে হচ্ছে। পরিবহন খরচ ও দোকানভাড়া যোগ করে খুচরায় ১৫০ টাকার নিচে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি বলেন, “সরবরাহে খুব একটা সমস্যা নেই। তবে চাহিদা বেশি হওয়ায় দাম একটু বাড়তি থাকছে।”

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, নিত্যপণ্যের দাম এমনিতেই বেশি। তার মধ্যে ডিমের দাম বাড়ায় সংসারের খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা শামসুল হক বলেন, “ডিম তো সাধারণ মানুষের সবচেয়ে সহজ প্রোটিনের উৎস। কিন্তু এখন সেটার দামও বাড়ছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য সমস্যা তৈরি হচ্ছে।”

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজানের সময় চাহিদা বেশি থাকায় ডিমের দাম কিছুটা বাড়তি থাকে। তবে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে দাম বড় ধরনের অস্থিরতায় যাওয়ার আশঙ্কা নেই।

ব্যবসায়ীদের আশা, খামার পর্যায়ে সরবরাহ ঠিক থাকলে রমজানের শেষ দিকে ডিমের বাজার কিছুটা স্থিতিশীল হতে পারে।