ঢাকা, রবিবার ০৮, মার্চ ২০২৬ ৬:৫৩:৪০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

ঈদ বাজার: চলছে নারীর পছন্দের শাড়ি কেনাকাটা

অনু সরকার

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৫:৫৫ পিএম, ৭ মার্চ ২০২৬ শনিবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন বিপণিবিতান ও মার্কেটে জমে উঠেছে শাড়ির বাজার। বিশেষ করে নারীদের পছন্দের নানা ধরনের শাড়ি কিনতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দোকানগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের সময়টাতে শাড়ির বিক্রি সবচেয়ে বেশি হয়। তাই ক্রেতাদের চাহিদা মাথায় রেখে দেশি-বিদেশি নানা ডিজাইনের শাড়ি নিয়ে সাজানো হয়েছে দোকান।

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স, নিউ মার্কেট এবং যমুনা ফিউচার পার্ক-সহ বিভিন্ন মার্কেটে এখন শাড়ির জমজমাট বিক্রি চলছে। দোকানগুলোতে দেশীয় জামদানি, টাঙ্গাইল, কাতান, মসলিন, সিল্ক ও বিভিন্ন ডিজাইনের শাড়ি ক্রেতাদের আকর্ষণ করছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন দামের শাড়ি বাজারে এসেছে। জামদানি শাড়ি ৪ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। টাঙ্গাইল শাড়ির দাম ১ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা। কাতান শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে ৩ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকায়। এছাড়া সিল্ক শাড়ি ৪ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা এবং মসলিন শাড়ির দাম ৬ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে। সাধারণ প্রিন্ট বা কটন শাড়িও রয়েছে, যার দাম ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে।

বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের এক শাড়ি বিক্রেতা রাশেদ মিয়া বলেন, “ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ক্রেতার ভিড় তত বাড়ছে। বিশেষ করে জামদানি ও কাতান শাড়ির চাহিদা বেশি। অনেকে পরিবার-পরিজনের জন্য একাধিক শাড়ি কিনছেন।”

ক্রেতারাও বলছেন, ঈদ উপলক্ষে নতুন শাড়ি কেনা তাদের জন্য একটি বিশেষ আনন্দের বিষয়। নিউ মার্কেটে শাড়ি কিনতে আসা গৃহিণী সুমাইয়া আক্তার বলেন, “ঈদে নতুন শাড়ি না কিনলে যেন উৎসবের আনন্দটা পূর্ণ হয় না। তাই নিজের জন্য একটি জামদানি আর বোনের জন্য একটি টাঙ্গাইল শাড়ি কিনলাম।”

আরেক ক্রেতা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নাজিয়া রহমান বলেন, “এবার ট্রেন্ডে হালকা কাজের সিল্ক ও কাতান শাড়ি বেশি দেখা যাচ্ছে। তাই আমি সিল্ক শাড়ি পছন্দ করেছি।”

ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ঈদের আগের শেষ সপ্তাহে শাড়ির বাজার আরও জমে উঠবে। তখন ক্রেতাদের ভিড় কয়েকগুণ বেড়ে যাবে এবং বিক্রিও বাড়বে। রমজানের শেষ ভাগে ঈদকে ঘিরে শাড়ির এই কেনাকাটা উৎসবের আমেজ আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।