ঢাকা, মঙ্গলবার ১০, মার্চ ২০২৬ ২:৩৯:২৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

বইমেলায় ক্রেতা নেই, আছে শুধু হতাশা

রাতুল মাঝি

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৬:৫০ পিএম, ৯ মার্চ ২০২৬ সোমবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

রাজধানীর বাংলা একাডেমি সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে চলমান অমর একুশে বইমেলায় প্রত্যাশিত ক্রেতা না থাকায় হতাশা প্রকাশ করছেন প্রকাশক ও বিক্রেতারা। মেলার মাঝামাঝি সময় পার হলেও অধিকাংশ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বিক্রি খুবই কম। ফলে বই সাজিয়ে বসে থাকলেও ক্রেতার অপেক্ষায় সময় কাটছে অনেকের।

সোমবার বিকেলে মেলা প্রাঙ্গণে ঘুরে দেখা যায়, অনেক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বিক্রয়কেন্দ্রে লোকজনের উপস্থিতি খুবই কম। কিছু দর্শনার্থী স্টলে ঢুকে বই উল্টেপাল্টে দেখছেন, তবে কেনার আগ্রহ তুলনামূলক কম। অনেকেই মেলায় এসে ঘুরে দেখা কিংবা ছবি তুলেই সময় কাটাচ্ছেন।

একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বিক্রয়কর্মী জানান, “মেলায় মানুষ আসছে ঠিকই, কিন্তু বই কেনার প্রবণতা খুব কম। অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হচ্ছে, তবু বিক্রি তেমন হচ্ছে না।”

আরেক প্রকাশক বলেন, “প্রতিবছর এই সময়টায় বিক্রি ভালো থাকে। কিন্তু এবার মেলার মাঝামাঝি সময়েও তেমন ক্রেতা দেখা যাচ্ছে না। এতে আমরা হতাশ।”

মেলায় আসা কয়েকজন দর্শনার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেক বইয়ের দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অনেকেই কিনতে পারছেন না। কেউ কেউ আবার শুধু নতুন বই দেখতেই মেলায় আসছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানভীর বলেন, “বইমেলায় আসা একটা আনন্দের ব্যাপার। কিন্তু সব বই কেনা সম্ভব হয় না। দাম একটু বেশি হওয়ায় বেশিরভাগ সময় ঘুরে দেখেই চলে যেতে হয়।”

প্রকাশকদের মতে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং অনলাইনে বই পড়ার প্রবণতা বাড়ার কারণে মেলায় বিক্রি কমে গেছে। ফলে অনেক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান প্রত্যাশিত সাড়া পাচ্ছে না।

সব মিলিয়ে মেলায় দর্শনার্থী থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা না থাকায় প্রকাশকদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। এখন তাদের আশা, সামনে ছুটির দিনগুলোতে হয়তো ক্রেতা বাড়বে এবং বিক্রিও কিছুটা বাড়তে পারে।