ঢাকা, মঙ্গলবার ১০, মার্চ ২০২৬ ২:৪২:৩৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

উইমেন’স এশিয়ান কাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশের

খেলাধুলা ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৭:২৩ পিএম, ৯ মার্চ ২০২৬ সোমবার

উজবেকিস্তানের কাছে ৪-০ হেরে উইমেন’স এশিয়ান কাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশের।

উজবেকিস্তানের কাছে ৪-০ হেরে উইমেন’স এশিয়ান কাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশের।

প্রথমবারের মতো এশিয়ার সেরা আসরে জায়গা করে নেওয়া বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল চেয়েছিল অন্তত শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে। কিন্তু সাহসী লড়াই করেও শেষ রক্ষা হলো না। শক্তিশালী উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ভালো কিছু মুহূর্ত তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হেরে উইমেন’স এশিয়ান কাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে পিটার জেমস বাটলারের দলকে।

আজ সোমবার অস্ট্রেলিয়ার পার্থ রেক্টাঙ্গুলার স্টেডিয়ামে গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে উজবেকিস্তান। ম্যাচের ১০ মিনিটেই নিলুফার কুদরাতোভার থ্রু পাস ধরে অফসাইড ফাঁদ ভেঙে গোল করেন দিয়োরাখোন খাবিবুল্লায়েভা। দারুণ কোণাকুণি শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।

গোল হজমের পরই ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বাংলাদেশ। ৩০তম মিনিটে ঋতুপর্ণা চাকমার জোরালো শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন উজবেকিস্তানের গোলকিপার। ৪২তম মিনিটে তহুরা খাতুনের সামনে আসে সুবর্ণ সুযোগ, কিন্তু দ্রুত বেরিয়ে এসে গোলকিপার সেই সম্ভাবনা নষ্ট করে দেন। ফলে পিছিয়েই বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করে উজবেকিস্তান। ৬২তম মিনিটে উদিমা জইরোভার ক্রস থেকে গোল করেন দিলদোরা নজিমোভা। মাত্র চার মিনিট পর আবারও গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন একই খেলোয়াড়। শেষদিকে নিলুফার কুদরাতোভার নিখুঁত শটে চতুর্থ গোল হজম করে বাংলাদেশ।

এই হারের ফলে তিন ম্যাচের সবগুলোতেই পরাজিত হয়ে গ্রুপের তলানিতে থেকে আসর শেষ করল বাংলাদেশ। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ১১২তম স্থানে থাকা দলটি তিন ম্যাচে মোট ১১ গোল হজম করেছে, কিন্তু কোনো ম্যাচেই প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠাতে পারেনি।

এর আগে গ্রুপের প্রথম ম্যাচে নয়বারের চ্যাম্পিয়ন চীনের কাছে ২-০ এবং দ্বিতীয় ম্যাচে তিনবারের চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ।

তবু প্রথমবারের মতো উইমেন’স এশিয়ান কাপে খেলার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের নারী ফুটবলের জন্য বড় শিক্ষা হয়ে থাকবে। ভবিষ্যতের পথচলায় এই অভিজ্ঞতাই নতুন শক্তি জোগাবে সাবিনাদের।