ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২, মার্চ ২০২৬ ৪:১৯:৪৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

ইরানী আরও দুই নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিল অস্ট্রেলিয়া

খেলাধুলা ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৫২ পিএম, ১১ মার্চ ২০২৬ বুধবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

ইরানের নারী ফুটবল দলের আরও দুই সদস্যকে মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এর ফলে দেশটিতে আশ্রয় পাওয়া ইরানের নারী দলের সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাতজনে। এর আগে নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে দলের পাঁচজন খেলোয়াড়কে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানান, দলের একজন খেলোয়াড় ও একজন সহায়ক কর্মকর্তা অস্ট্রেলিয়ায় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তারা সিডনির বিমানবন্দর দিয়ে দেশ ছাড়ার আগে আশ্রয়ের আবেদন করেন।

মন্ত্রী জানান, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশি এলাকায় অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তারা ও দোভাষীরা ইরানি কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ছাড়াই খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন। সেখানে তাদের সামনে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের ওপর কোনো ধরনের চাপ বা তাড়াহুড়া সৃষ্টি করা হয়নি। তাদের পর্যাপ্ত সময় ও স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে।

অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই দুই সদস্যকে ১২ মাস মেয়াদের অস্থায়ী মানবিক ভিসা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই ভিসার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগও তৈরি হতে পারে। একই ধরনের ভিসা আগে ইউক্রেন, ফিলিস্তিন ও আফগানিস্তান থেকে আসা আশ্রয়প্রার্থীদেরও দেওয়া হয়েছে।

ইরানের নারী ফুটবল দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের সূত্রপাত হয় এশিয়া কাপের একটি ম্যাচে জাতীয় সংগীত না গাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ওই ঘটনার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দলটিকে ‘দেশদ্রোহী’ বলে আখ্যা দেয়। যদিও পরবর্তী ম্যাচগুলোতে খেলোয়াড়রা জাতীয় সংগীত গেয়েছিলেন।

অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফেরার সময় ইরানি প্রবাসীদের একটি অংশ বিক্ষোভও করেন। তাদের আশঙ্কা ছিল, খেলোয়াড়রা ইরানে ফিরে গেলে নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন।

তবে ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, দলের বাকি সদস্যদের নিরাপদে দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি খেলোয়াড়দের উদ্দেশে বলেন, ইরান তাদের জন্য অপেক্ষা করছে।