মতিঝিলে ইফতার বাজার, অফিস শেষে ক্রেতার ভিড়ে মুখরিত
জোসেফ সরকার
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৪:৩৪ পিএম, ১২ মার্চ ২০২৬ বৃহস্পতিবার
ছবি: সংগ্রহিত।
রাজধানীর বাণিজ্যিক কেন্দ্র মতিঝিল এলাকায় পবিত্র রমজান মাসকে ঘিরে জমে উঠেছে ইফতার বাজার। প্রতিদিন বিকেল গড়াতেই বিভিন্ন রাস্তার মোড়, ফুটপাত ও ছোট দোকানগুলোতে সাজিয়ে রাখা হচ্ছে নানা রকম ইফতারি। অফিস শেষ করে বাসায় ফেরার পথে অনেকেই এখান থেকে কিনে নিচ্ছেন প্রয়োজনীয় ইফতার সামগ্রী। ফলে বিকেল সাড়ে ৪টার পর থেকেই ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মতিঝিলের বিভিন্ন সড়কের পাশে সারি সারি দোকানে বিক্রি হচ্ছে বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ, ডালপুরি, ছোলা, হালিম, জিলাপি, খেজুরসহ নানা মুখরোচক খাবার। গরম গরম বেগুনি আর পেঁয়াজুর ঘ্রাণে চারপাশে তৈরি হয়েছে এক ভিন্ন আবহ। বিক্রেতারা ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে।
ইফতার সামগ্রী কিনতে আসা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী রেজাউল করিম বলেন, “অফিস শেষ করে বাসায় ফিরতে ফিরতে অনেক সময় হয়ে যায়। তাই এখান থেকেই ইফতার কিনে নিয়ে যাই। মতিঝিলে প্রায় সব ধরনের ইফতারই পাওয়া যায়।”
আরেক ক্রেতা নাসরিন আক্তার বলেন, “এখানকার ইফতার বেশ টাটকা থাকে। দামও মোটামুটি সহনীয়। তাই প্রায়ই এখান থেকে কিনি।”
বিক্রেতারা জানান, রোজার শুরুতে বিক্রি কিছুটা কম থাকলেও এখন ক্রেতা বাড়ছে। বিকেল ৫টার পর থেকে সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়। মতিঝিলের এক ইফতার বিক্রেতা আব্দুল কাদের বলেন, “আমরা দুপুরের পর থেকেই ইফতার বানানো শুরু করি। বিকেল ৫টার পর ক্রেতার চাপ বেড়ে যায়। বিশেষ করে অফিস শেষ হলে মানুষ বেশি আসে।”
বাজারে প্রতি পিস বেগুনি ১০ থেকে ১৫ টাকা, পেঁয়াজু ১০ টাকা, আলুর চপ ১৫ টাকা, ডালপুরি ২০ টাকা এবং ছোলার প্রতি প্লেট ৩০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া হালিমের বাটি ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং জিলাপি প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা।
রমজানকে কেন্দ্র করে মতিঝিলের এই ইফতার বাজার শুধু কর্মজীবী মানুষের জন্যই নয়, আশপাশের বাসিন্দাদের কাছেও হয়ে উঠেছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। বিকেল নামলেই তাই ব্যস্ত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা, আর অফিস শেষে ক্রেতাদের ভিড়ে জমে ওঠে মতিঝিলের ইফতার বাজার।
