কে-শফি বেকারির ‘সারা লাচ্ছা সেমাই’, স্বাদে অনন্য, দামে কম
জোসেফ সরকার
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০১:২১ পিএম, ১৮ মার্চ ২০২৬ বুধবার
ছবি: সংগ্রহিত।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে বেড়েছে সেমাইয়ের চাহিদা। আর এই মৌসুমে ক্রেতাদের নজর কেড়েছে কে-শফি বেকারি-র ‘সারা লাচ্ছা সেমাই’। স্বাদ, মান আর তুলনামূলক কম দামের কারণে ইতোমধ্যেই এটি হয়ে উঠেছে অনেক পরিবারের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে।
বেকারিটি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে তৈরি করা হচ্ছে এই লাচ্ছা সেমাই। উন্নতমানের উপকরণ ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎপাদনের ফলে স্বাদে এসেছে ভিন্নতা, যা ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা ভিড় করছেন কে-শফি বেকারির আউটলেটগুলোতে। বিশেষ করে ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, বিক্রি ততই বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
বেকারির এক বিক্রয়কর্মী বলেন, “প্রতিদিনই সেমাইয়ের চাহিদা বাড়ছে। অনেকেই একবার কিনে আবার আসছেন। স্বাদ ভালো হওয়ায় মুখে মুখেই প্রচার হচ্ছে।”
ক্রেতাদের মধ্যেও দেখা গেছে সন্তুষ্টি। মোহাম্মদপুর থেকে আসা এক ক্রেতা বলেন, “বাজারে অনেক ধরনের সেমাই আছে, কিন্তু কে-শফির এই লাচ্ছা সেমাইয়ের স্বাদ আলাদা। দামও তুলনামূলক কম, তাই কিনতে ভালো লাগছে।”
আরেকজন ক্রেতা জানান, “ঈদের জন্য প্রতিবছর এখান থেকেই সেমাই কিনি। মান ভালো থাকে, রান্না করলেও গলে যায় না, স্বাদও থাকে দারুণ।”
এ বিষয়ে কে-শফি বেকারির কর্ণধার কাজী সাঈদ আহমেদ বলেন, “আমরা সব সময় চেষ্টা করি ক্রেতাদের মানসম্মত পণ্য সাশ্রয়ী দামে দিতে। ‘সারা লাচ্ছা সেমাই’ তৈরিতে আমরা ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সমন্বয় করেছি। ক্রেতাদের ইতিবাচক সাড়া আমাদের আরও অনুপ্রাণিত করছে।”
তিনি আরও জানান, ঈদ উপলক্ষে উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে, যাতে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা যায়। পাশাপাশি মান বজায় রাখার দিকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
কাজী সাঈদ আহমেদ আরও জানান, ‘সারা লাচ্ছা সেমাই’ রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন জেলাতেই পাওয়া যায়। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে এই সেমাই চলে গেছে আমেরিকা, ইউরোপ, অষ্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের নানা দেশে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, স্বাদ, মান ও দামের সমন্বয়ে কে-শফি বেকারির ‘সারা লাচ্ছা সেমাই’ এবারের ঈদে ক্রেতাদের জন্য হয়ে উঠেছে এক আকর্ষণীয় পছন্দ।
