ঈদের আগে শেষ শুক্রবারে সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মাংস-ডিমে চাপ
রাতুল মাঝি
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ১২:৩১ পিএম, ২০ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার
ঈদের আগে শেষ শুক্রবারে সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মাংস-ডিমে চাপ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে শেষ শুক্রবারে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। সকাল থেকেই শাক-সবজি, মাছ, মাংস ও ডিম কিনতে ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে। তবে বাজারে গিয়ে অনেকেই স্বস্তি পেয়েছেন সবজির দামে, কিন্তু মাছ, মাংস ও ডিম কিনতে গিয়ে গুনতে হয়েছে বাড়তি টাকা।
সরেজমিনে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ সবজির দাম তুলনামূলক কম থাকলেও কিছু পণ্যে রয়েছে ঊর্ধ্বগতি। বর্তমানে আলু বিক্রি হচ্ছে কেজি ২০ টাকা, টমেটো ৫০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, শিম ৫০ টাকা এবং বেগুন ৭০-৮০ টাকায়। কাঁচা মরিচ ১০০-১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া করলা, পটল, ঢেঁড়সসহ বেশিরভাগ সবজি ৫০-৬০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
বাজারে আসা ক্রেতা সেলিম হোসেন বলেন, “সবজির দাম মোটামুটি সহনীয়। কিন্তু মাছ-মাংস কিনতেই বেশি টাকা চলে যাচ্ছে।”
মাছের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, চাষের মাছের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও দেশি মাছ এখনও নাগালের বাইরে। রুই মাছ কেজি ৪০০ টাকা, পাঙ্গাশ ১৮০-২০০ টাকা এবং তেলাপিয়া/কৈ ১৮০-২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশি শোল মাছ ১২০০ টাকা এবং দেশি কৈ ৭০০-৮০০ টাকা কেজি হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে।
মাংসের বাজারে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে কেজি ৭৫০-৮০০ টাকার মধ্যে, আর খাসির মাংস প্রায় ১৩০০ টাকা কেজি।
অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগি ২২০-২৩০ টাকা কেজি এবং সোনালি/দেশি মুরগি ৩০০ টাকার বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের বাজারেও পুরোপুরি স্বস্তি নেই। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৯০-১১০ টাকার মধ্যে, যা কয়েকদিন আগের তুলনায় কিছুটা কম হলেও এখনও অনেকের জন্য চাপের।
বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের আগে চাহিদা বাড়ায় মাছ, মাংস ও ডিমের দাম বেড়েছে। তবে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে ঈদের পর দাম কিছুটা কমতে পারে।
সব মিলিয়ে, ঈদের আগে শেষ শুক্রবারে কাঁচাবাজারে কেনাকাটার চাপ থাকলেও—সবজিতে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও মাছ, মাংস ও ডিমের উচ্চ দামে সাধারণ মানুষের উৎসবের বাজেটে বাড়তি চাপ পড়ছে।
