ঢাকা, শনিবার ২১, মার্চ ২০২৬ ৩:৫২:০০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

নারীদের জন্য রাজধানীর কোথায় কখন ঈদ জামাত

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৩০ এএম, ২১ মার্চ ২০২৬ শনিবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীতে নারীদের জন্য পৃথক ও নিরাপদ ঈদ জামাতের আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে। ধর্মীয় বিধান মেনে নারীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নারীদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে নারীদের জন্য নির্ধারিত পৃথক অংশ রাখা হয়েছে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে বিকল্প হিসেবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ সকাল ৯টার জামাতে নারীরা অংশ নিতে পারবেন। এখানে নারীদের জন্য নির্দিষ্ট নামাজের স্থান সংরক্ষিত রয়েছে।

এছাড়া বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ ঈদের দিন একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা এবং পরবর্তী সময়গুলোতেও ধারাবাহিকভাবে জামাতের আয়োজন রয়েছে, যেখানে নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকবে।

রাজধানীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও নারীদের জন্য ঈদ জামাতের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ—এখানে সকাল ৮টার জামাতে নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রয়েছে।

ধানমন্ডি ঈদগাহ-এ সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত জামাতে নারীরা অংশ নিতে পারবেন।

মিরপুর শাহ আলী বাগ ঈদগাহ-এ সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে নারীদের জন্য আলাদা স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিটি স্থানে নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ, নামাজের জায়গা ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করেছে, যাতে নারী মুসল্লিরা স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।

ধর্মীয় বিশ্লেষকরা বলছেন, নারীদের ঈদ জামাতে অংশগ্রহণ দিন দিন বাড়ছে, যা ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির পাশাপাশি নামাজে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে নারীরাও এই উৎসবের পূর্ণতা অনুভব করছেন।

সব মিলিয়ে, রাজধানীতে নারীদের জন্য ঈদ জামাতের এই আয়োজন ধর্মীয় অনুশীলনে তাদের অংশগ্রহণ আরও সহজ ও নিরাপদ করে তুলেছে।