ঢাকা, রবিবার ১২, জুলাই ২০২৬ ১৬:০৪:৫৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

দিল্লীতে বায়ু দূষণের মাত্রা আরো বেড়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০২:৫৩ পিএম, ২৫ অক্টোবর ২০১৮ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৭:২৮ পিএম, ২৫ অক্টোবর ২০১৮ বৃহস্পতিবার

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীতে আজ বৃহস্পতিবার বায়ু দূষণের মাত্রা আরো বেড়ে গেছে। বায়ু দূষণের মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে অসহনীয় পর্যায়ে। দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় আগেই এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে দিল্লির সব স্কুল।

 

গত সোমবার থেকে নয়াদিল্লীতে বায়ুদূষণ চলছে। এ বায়ু দূষণের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে স্কুলগামী শিশুরা।


রাষ্ট্র পরিচালিত সিস্টেম অব এয়ার কোয়ালিটি এন্ড ওয়েদার ফোরকাস্টিং এন্ড রিসার্চ (এসএএফএআর) এর তথ্য মতে, সকালে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) রেকর্ড করা হয় ৩৩৭। আগামী দুদিনও একই অবস্থা চলবে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।


একিউআই জিরো থেকে ৫০ হলে ভাল, ৫১ থেকে ১শ’ হলে সন্তোষজনক, ১০১ থেকে ২শ’ হলে চলনসই, ২০১ থেকে ৩শ’ হলে খারাপ, ৩০১ থেকে ৪শ’ খুবই খারাপ এবং ৪০১ থেকে ৫শ’ মারাত্মক।

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বায়ু দূষণের যে মাত্রাকে গ্রহণযোগ্য নিরাপদ সীমা বলে মনে করে, দিল্লির অনেক এলাকায় বায়ু দূষণ এখন তার তিরিশ গুণ বেশি। ঘন ধোঁয়াশায় ঢেকে রয়েছে শহরের রাস্তাঘাট।

 

মঙ্গলবার দিল্লিতে `জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা` জারি করা হয়েছে। বুধবার পরিস্থিতির উন্নতির কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। অার আজ বৃহস্পতিবার অবস্থা আরো খারাপের দি েগেছে।

 

এ বিষয়ে দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীষ সিসোদিয়া বলেছেন, ‘বাতাসে দূষণের মাত্রা এখনো মারাত্মক মাত্রায় রয়েছে এবং পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি ঘটায় শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়েছে।।’


এদিকে সামনেই দীপাবলী উৎসব। এ সময় বায়ুদূষণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। আগের তুলনায় চলতি বছর দূষণের মাত্রা কম রাখতে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট আতশবাজি পোড়ানোর ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

 

কোর্টের নির্দেশে বলা হয়েছে, দীপাবলি ও অন্যান্য উৎসবের সময়ে কেবলমাত্র রাত ৮টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত আতশবাজী পোড়ানো যাবে। এছাড়া কেবল সবুজ আতশবাজী বিক্রির অনুমতি দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।

 

অন্যদিকে পরিবেশ সংস্থাগুলো ও দিল্লির বাসিন্দারা সবাই প্রায় একবাক্যে বলছেন, শহরের বাতাস আর মোটেই স্বাভাবিক জীবনযাপনের উপযুক্ত নেই এবং জনস্বাস্থ্য যেরকম মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে তাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া এখন অত্যন্ত জরুরি।