ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ১৩:৪২:১০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

এপস্টাইন বিতর্কে সরব মেলানিয়া, কংগ্রেসে খোলামেলা শুনানির দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:১২ পিএম, ১০ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রে বহুল আলোচিত জেফরি এপস্টাইন ইস্যুতে এবার সরব হয়েছেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। নিজের বিরুদ্ধে ছড়ানো নানা গুঞ্জন দৃঢ়ভাবে নাকচ করে দিয়ে তিনি সত্য উদঘাটনে কংগ্রেসে প্রকাশ্য শুনানির দাবি জানিয়েছেন।

হোয়াইট হাউসে এক তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে মেলানিয়া বলেন, এপস্টাইনের সঙ্গে তার কোনো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল না এবং তাকে ঘিরে অনলাইনে ছড়ানো তথ্য ‘ইচ্ছাকৃত অপপ্রচার’। তার ভাষায়, “এগুলো আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়।”

তিনি জানান, ২০০০ সালের দিকে এপস্টাইনের সঙ্গে তার অল্প সময়ের জন্য পরিচয় হয়েছিল, তবে তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তখন তিনি অবগত ছিলেন না।

এ সময় এপস্টাইনের যৌন পাচারচক্রের শিকার নারীদের জন্য ন্যায়বিচারের প্রশ্নটি সামনে আনেন মেলানিয়া। তিনি বলেন, “প্রত্যেক নারীরই নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করার অধিকার রয়েছে। কংগ্রেসের উচিত শপথের অধীনে তাদের সাক্ষ্য দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা।”

এদিকে, এপস্টাইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী গিসলেন ম্যাক্সওয়েল-এর সঙ্গে মেলানিয়ার একটি ইমেইল যোগাযোগের তথ্য সামনে এলেও, সেটিকে তিনি ‘সৌজন্যবশত দেওয়া সংক্ষিপ্ত উত্তর’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন।

মার্কিন কংগ্রেসের হাউজ ওভারসাইট কমিটি-র ডেমোক্র্যাট সদস্যরা মেলানিয়ার প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং দ্রুত শুনানির আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, এমন উদ্যোগ কখনো কখনো প্রকৃত জবাবদিহি এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ইস্যুতে মেলানিয়ার প্রকাশ্য ও দৃঢ় অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। কারণ, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অতীতে এপস্টাইনকে নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে মেলানিয়ার এই অবস্থানকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এপস্টাইন ইস্যুতে নতুন করে কংগ্রেসীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে।