ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৮:২২:২২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

জামিন পেলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৫:০২ পিএম, ১২ এপ্রিল ২০২৬ রবিবার

শিরীন শারমিন চৌধুরী

শিরীন শারমিন চৌধুরী

জুলাই গণঅভ্যাত্থানের সময়ে আশরাফুল হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে জামিন দিয়েছে আদালত।

আজ রোববার (১২ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী।

গত ৭ এপ্রিল ভোরে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে তার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরে তাঁকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড নাকচ করে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

নথি থেকে জানা গেছে, গত বছরের ১৮ জুলাই লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে মিছিল করছিলেন ভুক্তভোগী মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম। ঘটনার দিন আসামিদের ছোড়া গুলিতে ভুক্তভোগীর বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা (দণ্ডবিধির ৩০৭) ধারায় মামলা করেন ভুক্তভোগী আশরাফুল।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই শিরীন শারমিন চৌধুরী আড়ালে চলে যান। এর আগে গুঞ্জন উঠেছিল, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় তিনি ভবনটির একটি গোপন কক্ষ বা বাংকারে আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাত আড়াইটার দিকে সেনাবাহিনী তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। এরপর থেকে তিনি কোথায় ছিলেন তা নিয়ে নানা গুঞ্জন ছিল। তিনি দেশে আছেন, নাকি বিদেশে পালিয়ে গেছেন, সেটা নিয়েও নানা কথা ছড়িয়েছিল। পরে দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকার পর আজ ভোররাতে ধানমণ্ডি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।

শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে রয়েছে রংপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত স্বর্ণ শ্রমিক মুসলিম উদ্দিন (৩৮) হত্যা মামলা। ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি আমলি আদালতে শিরীন শারমিনসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেছিলেন রংপুর শহরের পূর্ব গণেশপুর এলাকার নিহত মুসলিম উদ্দিনের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার (৩২)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিটি বাজার এলাকায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে মুসলিম উদ্দিন গুলিবিদ্ধ হলে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে আসামিদের চাপে মরদেহের ময়নাতদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি করে দাফন করে তার পরিবার। স্বর্ণ শ্রমিক মুসলিম উদ্দিন হত্যা মামলা ছাড়াও তার বিরুদ্ধে ঢাকায় আরও ৬টি মামলা রয়েছে।