ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৮:২৩:০৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে স্বর্ণের দামে বড় পতন

অনলাইন ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৩৪ পিএম, ১ মে ২০২৬ শুক্রবার

ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা হ্রাস পেয়েছে। এতে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বড় পতনের মুখে পড়েছে। 

আজ শুক্রবার (১ মে) আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম এক শতাংশের বেশি কমেছে। খবর রয়টার্সের।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম এক দশমিক এক শতাংশ কমে প্রতি আউন্স চার হাজার ৫৭৩ দশমিক ৩৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা সাপ্তাহিক ভিত্তিতে দুই দশমিক আট শতাংশ পতনের পথে রয়েছে। পাশাপাশি জুন মাসে সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার এক শতাংশ কমে চার হাজার ৫৮৫.২০ ডলারে নেমেছে।

ইউবিএস অ্যানালিস্ট জিওভানি স্টাউনোভো জানান, স্বল্প মেয়াদে স্বর্ণের দামের সঙ্গে তেলের দামের একটি নেতিবাচক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। কারণ তেলের দাম সুদের হারের প্রত্যাশাকে প্রভাবিত করছে।

এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনার জেরে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম বছরের শুরুর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ফলে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা প্রবল হচ্ছে। মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, ফেডারেল রিজার্ভ আগামী বছর পর্যন্ত সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে। ইতোমধ্যে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডও তাদের সুদের হার স্থিতিশীল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সাধারণত উচ্চ সুদের হারের পরিবেশে স্বর্ণের আকর্ষণ কমে যায়, কারণ বিনিয়োগকারীরা তখন ট্রেজারি বন্ডের মতো লাভজনক সম্পদের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়েন। তবে দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে স্টাউনোভো জানান, আগামী ১২ মাসের মধ্যে স্বর্ণের বাজার আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা, ডলারের মান দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা এবং পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার কমাতে শুরু করলে স্বর্ণের চাহিদা আবার বাড়বে। ইউবিএস-এর মতে ২০২৬ সালের শেষের দিকে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি পাচ হাজার ৯০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।

এদিকে সিলভারের দাম শূন্য দশমিক তিন শতাংশ কমে ৭৩ দশমিক ৫৩ ডলার, প্ল্যাটিনাম শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ কমে এক হাজার ৯৭৫.৬৫ ডলার এবং প্যালাডিয়াম শূন্য দশমিক এক শতাংশ কমে এক হাজার ৫২২ দশিমিক ১৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।