ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ১০:১৫:২৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় ঢাকা-দিল্লি

অনলাইন ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:২৯ এএম, ২ মে ২০২৬ শনিবার

বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় ঢাকা-দিল্লি

বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় ঢাকা-দিল্লি

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন, দ্রুত নগরায়ণ ও শিল্পায়নের প্রভাবে বায়ুদূষণ ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। আজকের বায়ুমানের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে লাহোর, যেখানে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) স্কোর ১৭৬—যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।

তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নয়াদিল্লি, যার স্কোর ১৫৩। আর তৃতীয় অবস্থানে থাকা ঢাকা-এর AQI স্কোর ১৪৩, যা সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। শনিবার (২ মে) সকাল ৮টার পর সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ার এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার বড় শহরগুলোতে যানবাহনের ধোঁয়া, শিল্পকারখানার নির্গমন, ইটভাটা, নির্মাণকাজের ধুলাবালি এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণ বায়ুদূষণের প্রধান উৎস। শুষ্ক মৌসুমে বৃষ্টিপাত কম থাকায় বাতাসে ভাসমান ক্ষতিকর কণার ঘনত্ব আরও বেড়ে যায়, ফলে দূষণের মাত্রা দীর্ঘসময় ধরে উচ্চ অবস্থায় থাকে।

AQI স্কোর অনুযায়ী ০ থেকে ৫০ ভালো, ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি, ১০১ থেকে ১৫০ সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর, ১৫১ থেকে ২০০ অস্বাস্থ্যকর, ২০১ থেকে ৩০০ খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বায়ুর মান নির্ধারণে প্রধানত পিএম২.৫ ও পিএম১০ নামের সূক্ষ্ম বস্তুকণা, নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO₂), কার্বন মনোক্সাইড (CO), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO₂) এবং ওজোন (O₃) বিবেচনায় নেওয়া হয়। এর মধ্যে পিএম২.৫ সবচেয়ে ক্ষতিকর, কারণ এটি ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে রক্তপ্রবাহে মিশে যেতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে বায়ুদূষণ শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ফুসফুস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। শিশু, বয়স্ক, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য এটি আরও বিপজ্জনক। তাই বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার, অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলা এবং ঘরের ভেতর পরিষ্কার বাতাস নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নীতিমালা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন বিশেষজ্ঞরা।