ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ১০:১৫:১১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

ঢাবি শিক্ষার্থী মিমোর আত্মহত্যা, শিক্ষক সুদীপ তিনদিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৬:২৩ পিএম, ৩ মে ২০২৬ রবিবার

ঢাবি শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমো ও শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তী। ফাইল ছবি 

ঢাবি শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমো ও শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তী। ফাইল ছবি 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মিমোকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর তিনদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৩ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনজুরুল ইসলাম এ রিমান্ড আদেশ দেন।

এদিন ঢাবি শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে তিনদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।

বাড্ডা থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ২৬ এপ্রিল সকালে রাজধানীর বাড্ডায় নিজ বাসায় ঢাবি শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার বাবা। ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। 

এ ঘটনায় মেয়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বাড্ডা থানায় সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মামলা করেন মিমোর বাবা গোলাম মোস্তফা।

পরে ওইদিনই রাজধানীর উত্তর বাড্ডা এলাকায় অভিযান পচিালনা করে সুদীপকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন। শুনানি শেষে ওইদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিকে মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মিমোর ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজ দেখে বাদির মনে হয় যে, শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীর সঙ্গে তার মেয়ের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। গত ২৫ এপ্রিল দিবাগত রাত ১টায় সর্বশেষ ভিডিও কলে কথাবার্তা বলেছেন সুদীপ ও মিমো। ওই কথোপকথনের সময় সুদীপের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে আত্মহত্যা করেছে মিমো।