ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ১০:১৬:১৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

অপসংস্কৃতি ঠেকাতে নিজ সংস্কৃতির চর্চা জরুরি: ফারজানা শারমীন

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৫৫ এএম, ৯ মে ২০২৬ শনিবার

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল। ফাইল ছবি

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল। ফাইল ছবি

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল বলেছেন, নিজস্ব সংস্কৃতিকে সঠিকভাবে ধারণ করতে না পারলে সমাজ ও রাষ্ট্রে অপসংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ঠেকানো সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, ‘ব্যাধি যেমন স্বাস্থ্যের চেয়ে বেশি সংক্রামক, তেমনি আমাদের নিজস্ব কালচার এডপ্ট করতে না পারলে একটা মিশ্র সংস্কৃতি বা মরণব্যাধি আমাদের গ্রাস করবে। তাই সুস্থ জাতি গঠনে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির দিকে ঘুরে তাকাতে হবে।’

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজনীতিতে সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনীতি মূলত একটা কালচার বা সংস্কৃতি। একে যদি আমরা বিকশিত করতে না পারি, তবে রাজনীতির প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমাদের রাজনীতিবিদদের লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশের মানুষের জন্য, সমাজের জন্য একটা ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। স্বাস্থ্যকর সমাজ গঠনে, তাই সংস্কৃতির দিকেই আমাদের আবার ঘুরে তাকাতে হবে।’

নিজের প্রাত্যহিক জীবনের উদাহরণ টেনে ফারজানা শারমীন বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথের গান ও সাহিত্যের মধ্যে যে প্রশান্তি আছে তা অতুলনীয়। আমার সকালটা শুরু হয় রবীন্দ্রনাথের সুর দিয়ে। অফিসের ব্যস্ততা কিংবা প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে এক কাপ কফি আর রবীন্দ্রনাথের ‘শেষের কবিতা’ বা অন্য কোনো উপন্যাস আমাকে নতুন করে প্রাণশক্তি যোগায়। তার সৃষ্টি যতবার পড়া হয়, ততবারই নতুন আনন্দ পাওয়া যায়।’

নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রবীন্দ্রনাথের ভাষা শুরুতে কিছুটা কঠিন মনে হলেও এর ভেতরে যে জীবনদর্শন আছে তা একবার বুঝতে পারলে তা কেমিস্ট্রির কঠিন সমীকরণ মেলানোর চেয়েও অনেক বেশি আনন্দ দেয়। তিনি সবাইকে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলারও আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন।