ঢাবিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার উদ্যোগ
প্রকাশিত : ০৮:৪৯ পিএম, ৮ অক্টোবর ২০১৩ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৭:২৯ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০১৩ বৃহস্পতিবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম
ঢাকা : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত ঘটনায় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। উত্ত্যক্তকারীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ফজিলাতুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ সাবিতা রিজওয়ানা রহমান উইমেননিউজকে জানান, ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষকদের জরুরী মিটিং হয়েছে। দুটি হলের সামনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিকেল থেকে হলের আশেপাশে টহল পুলিশ থাকছে।
তিনি বলেন, ছাত্রী উত্যক্তকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পুলিশ প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করেছি। ছাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য হলের সামনে একটি অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি বসানোর জন্যও প্রশাসনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।
তিনি জানান, হল এলাকায় টহল পুলিশ ও অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি করার জন্য ইতিমধ্যেই কথা হয়েছে। হলের সামনের রাস্তার দোকনগুলো তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দোকানীদের আজ বিকেল পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে। হলের সামনের রাস্তায় বিদ্যুৎবাতি বৃদ্ধি করার জন্য উপাচার্য বরাবর চিঠি দেয়া হয়েছে। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট থানায় একটি জিডি করেছে। এছাড়া ঢাবির প্রক্টরিয়াল টিমের পক্ষে আজ মঙ্গলবার সকালে মামলা করার কথা রয়েছে।
সাবিতা রিজওয়ানা রহমান বলেন, এ ধরনের ঘটনা অপ্রত্যাশিত। আমরা তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়েছি। ছাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি আমাদের কাছে প্রধান। যে বহিরাগত বখাটেরা ছাত্রটিকে উত্ত্যক্ত করেছে এবং ছেলেদের মারোধর করেছে সাদাপোশাকের পুলিশ তাদের ধরার চেষ্টা করছে। ছাত্ররা জানিয়েছে তারা অপরাধীদের দেখলে চিনতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন।
তিনি আরও জানান, ঘটনার শিকার ছাত্রীটি নারী নির্যাতনের মামলা করতে চাচ্ছে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম নিরাপত্তাহীনতার মামলা করবে আজ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার ঘটনা বাড়ছে। বিভিন্ন সময় এ ধরনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোনো প্রতিকার হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রীরা। তারা জানান, বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল এবং বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল দুটি ক্যাম্পাস থেকে কিছুটা দূরে হওয়ায় এখানে বহিরাগতদের উৎপাত বেশি। তারা প্রায়ই ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে। ছাত্রীরা নিরাপত্তার ব্যাপারে বারবার দাবি জানালেও কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
শনিবার বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের এক ছাত্রীকে কয়েকজন বহিরাগত উত্ত্যক্ত করলে ওই ছাত্রী তার কয়েকজন সহপাঠী ও বন্ধুকে ফোনে বিষয়টি জানান। বন্ধুরা প্রতিবাদ করতে গেলে আট-দশজন বহিরাগত ঢাবির চার শিক্ষার্থীকে মারধর করে। ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।
এই ঘটনায় সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা প্রতিবাদ করেছেন। ছাত্রী উত্ত্যক্তকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি, ক্যাম্পাস ও হলের সামনে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে বিকেলে সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন করেন তারা।
‘ঢাবি শিক্ষার্থী’ ব্যানারে বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল এবং বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের সামনে মানববন্ধন শেষে প্রায় দেড় ঘণ্টা হলের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান ছাত্রীরা। এ সময় তারা হল দুইটির সামনে নিয়মিত পুলিশ প্রহরা বসানো ও হলের ভেতরে বহিরাগতদের প্রবেশ বন্ধের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবিও জানান।
সমাবেশ থেকে ফজিলাতুন্নেসা হলের ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় চার শিক্ষার্থীর ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানানো হয়।
বহিরাগতদের হামলার শিকার নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নিশান বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি আছেন।
৮ অক্টোবর’২০১৩
ঢাকা : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত ঘটনায় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। উত্ত্যক্তকারীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ফজিলাতুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ সাবিতা রিজওয়ানা রহমান উইমেননিউজকে জানান, ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষকদের জরুরী মিটিং হয়েছে। দুটি হলের সামনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিকেল থেকে হলের আশেপাশে টহল পুলিশ থাকছে।
তিনি বলেন, ছাত্রী উত্যক্তকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পুলিশ প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করেছি। ছাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য হলের সামনে একটি অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি বসানোর জন্যও প্রশাসনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।
তিনি জানান, হল এলাকায় টহল পুলিশ ও অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি করার জন্য ইতিমধ্যেই কথা হয়েছে। হলের সামনের রাস্তার দোকনগুলো তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দোকানীদের আজ বিকেল পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে। হলের সামনের রাস্তায় বিদ্যুৎবাতি বৃদ্ধি করার জন্য উপাচার্য বরাবর চিঠি দেয়া হয়েছে। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট থানায় একটি জিডি করেছে। এছাড়া ঢাবির প্রক্টরিয়াল টিমের পক্ষে আজ মঙ্গলবার সকালে মামলা করার কথা রয়েছে।
সাবিতা রিজওয়ানা রহমান বলেন, এ ধরনের ঘটনা অপ্রত্যাশিত। আমরা তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়েছি। ছাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি আমাদের কাছে প্রধান। যে বহিরাগত বখাটেরা ছাত্রটিকে উত্ত্যক্ত করেছে এবং ছেলেদের মারোধর করেছে সাদাপোশাকের পুলিশ তাদের ধরার চেষ্টা করছে। ছাত্ররা জানিয়েছে তারা অপরাধীদের দেখলে চিনতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন।
তিনি আরও জানান, ঘটনার শিকার ছাত্রীটি নারী নির্যাতনের মামলা করতে চাচ্ছে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম নিরাপত্তাহীনতার মামলা করবে আজ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার ঘটনা বাড়ছে। বিভিন্ন সময় এ ধরনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোনো প্রতিকার হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রীরা। তারা জানান, বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল এবং বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল দুটি ক্যাম্পাস থেকে কিছুটা দূরে হওয়ায় এখানে বহিরাগতদের উৎপাত বেশি। তারা প্রায়ই ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে। ছাত্রীরা নিরাপত্তার ব্যাপারে বারবার দাবি জানালেও কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
শনিবার বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের এক ছাত্রীকে কয়েকজন বহিরাগত উত্ত্যক্ত করলে ওই ছাত্রী তার কয়েকজন সহপাঠী ও বন্ধুকে ফোনে বিষয়টি জানান। বন্ধুরা প্রতিবাদ করতে গেলে আট-দশজন বহিরাগত ঢাবির চার শিক্ষার্থীকে মারধর করে। ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।
এই ঘটনায় সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা প্রতিবাদ করেছেন। ছাত্রী উত্ত্যক্তকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি, ক্যাম্পাস ও হলের সামনে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে বিকেলে সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন করেন তারা।
‘ঢাবি শিক্ষার্থী’ ব্যানারে বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল এবং বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের সামনে মানববন্ধন শেষে প্রায় দেড় ঘণ্টা হলের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান ছাত্রীরা। এ সময় তারা হল দুইটির সামনে নিয়মিত পুলিশ প্রহরা বসানো ও হলের ভেতরে বহিরাগতদের প্রবেশ বন্ধের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবিও জানান।
সমাবেশ থেকে ফজিলাতুন্নেসা হলের ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় চার শিক্ষার্থীর ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানানো হয়।
বহিরাগতদের হামলার শিকার নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নিশান বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি আছেন।
৮ অক্টোবর’২০১৩
