ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে তীব্র যানজট, ভোগান্তি চরমে
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০২:৫০ পিএম, ২৫ মে ২০২৬ সোমবার
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে তীব্র যানজট, ভোগান্তি চরমে
ঈদযাত্রার চাপ ও সড়ক দুর্ঘটনার কারণে ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার (২৪ মে) রাত থেকে আজ সোমবার (২৫ মে) সকাল পর্যন্ত দুটি পৃথক দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে দীর্ঘ সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। এতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার ঘরমুখো যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে শ্রীনগরের দোগাছি এলাকায় দুটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে এক ট্রাকচালক নিহত হন। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে যান চলাচল আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু হয়।
এরপর সোমবার ভোরে শ্রীনগরের সমষপুর এলাকায় আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটে। একটি বাস ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে তিনজন আহত হন। ফায়ার সার্ভিসের শ্রীনগর স্টেশন অফিসার দেওয়ান আজাদ হোসেন জানান, প্রথম দুর্ঘটনার যানবাহন সরানোর কাজ চলাকালীনই দ্বিতীয় দুর্ঘটনা ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
পরপর দুটি দুর্ঘটনার কারণে এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন অংশে যান চলাচল মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের টোল প্লাজা ছাড়িয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। ফলে অনেক যাত্রী ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে পড়েন।
মাওয়া হাইওয়ে পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জিয়াউল হায়দার জানান, সকাল সাড়ে আটটার দিকে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নেওয়ার পর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে বলেও তিনি জানান।
ঈদ পরবর্তী যাত্রার চাপ সামলাতে এবার মহাসড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস এবং মোটরসাইকেলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে করে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
পদ্মা সেতু পারাপার নির্বিঘ্ন করতে মাওয়া প্রান্তে আটটি টোল বুথে নিরবচ্ছিন্ন টোল আদায় চলছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেলের চাপ সামলাতে দুটি পৃথক লেন চালু রাখা হয়েছে, যাতে যান চলাচল কিছুটা হলেও স্বাভাবিক রাখা যায়।
