তপুর জোড়া গোলে বাংলাদেশের ইউরোপ জয়
খেলাধুলা ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০১:৩৯ পিএম, ৬ জুন ২০২৬ শনিবার
ছবি: সংগ্রহিত।
প্রথমবার ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে তাদেরই মাঠে খেলতে নেমেই বাজিমাত করল বাংলাদেশ। দলের কোচ হিসেবে অভিষেকটাও দুর্দান্ত হলো টমাস ডুলির। তপু বর্মনের জোড়া গোলে সান ম্যারিনোকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
সেরাভেলের সান মারিনো স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে শুক্রবার সান ম্যারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের একদম তলানির দল সান ম্যারিনো, অবস্থান ২১১তম। তাদের চেয়ে ৩০ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল বিরুদ্ধ কন্ডিশনও। ম্যাচে শুরুর দিকে তাই মানিয়ে নিতে বেগ পেতে হয়েছে সফরকারীদের।
মাঝমাঠের বড় ভরসা শমিত সোমকে বাইরে রেখে একাদশ সাজান বাংলাদেশের নতুন কোচ। এই জায়গায় অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ও সোহেল রানাকে খেলান হামজা চৌধুরীর সঙ্গী হিসেবে। দল সাজান ৪-৩-৩ ফরমেশনে।
সময়ের সাথে সাথে গুছিয়ে ওঠে বাংলাদেশ। আক্রমণে বাড়তে থাকে ধার। ফলও মেলে দ্রুত। ১৯তম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে শেখ মোরছালিনের বাড়ানো লম্বা ক্রসে দারুণ হেডে বল জালে জড়ান তপু বর্মণ। সাথে সাথে গর্জে ওঠে গ্যালারি।
ইতালির ভেতরে থাকা ছোট্ট এই দেশটিতে দলকে সমর্থন দিতে এদিন গ্যালারিতে ছিলেন বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি।
গোল হজম করে সান ম্যারিনো ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ফলও পেয়ে যায় তারা। ৩১তম মিনিটে ফরোয়ার্ড ফিলিপ্পো বেরার্ডির পাস থেকে চমৎকার গোলটি করেন নিকোলাস জিয়াকোপেটি।
ছয় মিনিট পর গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি বাংলাদেশের সাদ উদ্দিন।
দ্বিতীয়ার্ধে দলের শক্তি ও কৌশল পরীক্ষা করতে একাদশে ছয়টি পরিবর্তন আনেন বাংলাদেশ কোচ। খেলায় বাড়ে গতি। ৮৬তম মিনিটে মেলে ফল। হামজার নেওয়া ফ্রি-কিক থেকে গোলমুখে শট নেন বিশ্বনাথ ঘোষ। আর সেই শটে মাথা এগিয়ে দিয়ে বল জালে পাঠান তপু বর্মন। এটি জাতীয় দলের হয়ে তার অষ্টম গোল।
বাকি সময়ে এই গোল আগলে রেখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
এর আগে ২০০১ সালে সাহারা কাপে যুগোস্লাভিয়া এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ, তবে সেই দুটি ম্যাচেই হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল বাংলাদেশকে।
