ঢাকা, শুক্রবার ১২, জুন ২০২৬ ১৬:১৫:৪২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

বাজারে দাম চড়া, ক্রেতাদের ভোগান্তি চলছেই

অনু সরকার

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:১৬ পিএম, ১২ জুন ২০২৬ শুক্রবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন নেই। চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, মাছ, মাংস ও ডিমের চড়া দামে ক্রেতাদের ভোগান্তি অব্যাহত রয়েছে। ব্যবসায়ীরা সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার দাবি করলেও খুচরা বাজারে দাম কমছে না। ফলে সংসারের ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ।

আজ শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, মিরপুর ও খিলগাঁও এলাকার বাজার ঘুরে দেখা যায়, সরু চালের কেজি ৭০ থেকে ৮৫ টাকা, মাঝারি চাল ৫৬ থেকে ৬৮ টাকা এবং মোটা চাল ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও দাম কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

ডালের বাজারেও স্বস্তি নেই। মসুর ডাল মানভেদে ৯০ থেকে ১৫০ টাকা, মুগ ডাল ১২০ থেকে ১৭০ টাকা এবং ছোলা ৮৫ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি ব্যয় ও পরিবহন খরচ বাড়ায় ডালের দাম এখনও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

ভোজ্যতেলের বাজারও স্থির রয়েছে। খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮৫ থেকে ১৯৫ টাকা এবং পাঁচ লিটারের বোতল ৯৭৫ টাকার আশপাশে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে পাম অয়েলের দাম লিটারপ্রতি ১৬৫ থেকে ১৭৫ টাকা।

সবজির বাজারে আলুর কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকা হলেও বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা, শসা ৫০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও রসুনের দাম এখনও বেশি।

মাছের বাজারে মাঝারি আকারের রুই মাছ ২৮০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং ইলিশ ৮০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের কেজি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

পোলট্রির বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। লেয়ার ও সোনালি মুরগির দামও তুলনামূলক বেশি। ডজনপ্রতি ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকার মধ্যে।

বাজার করতে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, বাজারে লোকজন তুলনামূলক কম হলেও দাম কমার কোনো প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে মাছ, মাংস, ডিম ও ডালের দাম মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও উৎপাদন, পরিবহন ও পাইকারি পর্যায়ের ব্যয়ের কারণে খুচরা বাজারে কাঙ্ক্ষিত মূল্যহ্রাস হচ্ছে না। ফলে আপাতত নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন তারা।