ঢাকা, শনিবার ১৩, জুন ২০২৬ ১৪:০৭:২৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

হার এড়িয়ে বিশ্বকাপে কানাডার প্রথম পয়েন্ট

খেলাধুলা ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৫৪ এএম, ১৩ জুন ২০২৬ শনিবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

স্বাগতিক কানাডার বিপক্ষে দারুণ এক জয়ের পথে ছিল বসনিয়া হার্জেগোভিনা। প্রথমার্ধে লিড নিয়েও শেষ পর্যন্ত সেটি ধরে রাখতে পারেনি দলটি। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের চাপ ধরে রেখে শেষ মুহুর্তে ম্যাচে সমতা ফেরায় কানাডা।

টরন্টোয় শুক্রবার রাতে বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। এর মধ্যে দিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম পয়েন্টের স্বাদ পেয়েছে কানাডা।

এর আগে দুবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে ছয় ম্যাচ খেললেও পয়েন্টের ঝুলি শূন্য ছিল কানাডার। ১৯৮৬ সালে ও সবশেষ ২০২২ সালের আসরে গ্রুপ পর্বের সবগুলো খেলায় হেরেছিল তারা। ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে এবার পয়েন্টের খাতা খুলল দলটি। এই আনন্দের পাশাপাশি একটু আফসোসও থাকতে পারে তাদের। কারণ, বসনিয়ার বিপক্ষে পূর্ণ পয়েন্ট পয়েন্ট পাওয়ারই জোরালো সম্ভাবনা তৈরি করেছিল তারা।

ফেভারিট হিসেবে ম্যাচ শুরু করা কানাডা শুরু থেকেই বল দখলে এগিয়ে ছিল।শুরুর দিকে কানাডা আধিপত্য বিস্তার করলেও ভালো সুযোগগুলো পায় বসনিয়াই। তৃতীয় মিনিটে ম্যাচের প্রথম সুযোগে অবশ্য বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন আমার মেমিচ।

গত দুটি বড় টুর্নামেন্টে কানাডার এক-তৃতীয়াংশের বেশি গোলে অবদান ছিল জোনাথন ডেভিডের। তবে এদিন গোল পাননি এই ফরোয়ার্ড। ১৭তম মিনিটে নিজের পাওয়া সবচেয়ে সহজ সুযোগে সোজা গোলরক্ষক নিকোলা ভাসিলির বরাবর শট নেন তিনি।

চার মিনিট পর গ্যালারিতে উপস্থিত স্বাগতিক দর্শকদের স্তব্ধ করে দেয় বসনিয়া। কাছের পোস্টে উড়ে আসা কর্নারে সবার ওপরে লাফিয়ে বলে হেড করেন সিড কোলাসিনাচ। পেছনেই অপেক্ষায় থাকা ফরোয়ার্ড লুকিচ কাছ থেকে আরেকটি হেডে বল জালে পাঠান।

কানাডার হয়ে দারুণ কিছু করার আভাস দিচ্ছিলেন টানি ওলুওয়াসেই। ৩৩তম মিনিটে ফাঁকায় বল পেয়েও যান তিনি। কিন্তু অনেক ওপর দিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট শট মেরে গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপোকে পরীক্ষায় ফেলতে পারেননি।

বিরতির পর আক্রমণের চাপ বাড়ায় কানাডা।ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে পুরো টরন্টো স্টেডিয়ামকে উল্লাসে ভাসিয়ে দারুণ এক কোনাকুনি শটে গোল শোধ করেন ফরোয়ার্ড কাইল লারিন। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্রয়ে ম্যাচ শেষ হলে বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো পয়েন্ট অর্জনের ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করে কানাডা।