ঢাকা, রবিবার ২১, জুন ২০২৬ ১৬:৫৯:২০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

লিবিয়া উপকূলে নারীসহ ১৫ অভিবাসীর লাশ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৫৪ পিএম, ২১ জুন ২০২৬ রবিবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

লিবিয়ার পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে গত এক সপ্তাহে নারীসহ অন্তত ১৫ জন অভিবাসীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইউরোপগামী একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার পর তারা সাগরে নিখোঁজ হয়েছিলেন। 

শনিবার (২০ জুন) নিরাপত্তা বাহিনী, নৌবাহিনী এবং চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

নৌবাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, একই ঘটনায় অন্তত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ভাষ্যমতে, নৌকাটিতে প্রায় ৬১ জন আরোহী ছিলেন। ফলে এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মিশর সীমান্তের কাছাকাছি শহর তোব্রুকের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকা থেকে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া কয়েকটি মৃতদেহে পচন ধরেছিল, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে তারা বেশ কয়েকদিন আগে মারা গিয়েছিলেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, উপকূলের আরও বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত মৃতদেহ ভেসে আসতে পারে।

তোব্রুক রেড ক্রিসেন্টের প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, সাদা সুরক্ষা পোশাক পরিহিত স্বেচ্ছাসেবীরা পাথুরে উপকূল থেকে মৃতদেহ সংগ্রহ করে সাদা ব্যাগে সংরক্ষণ করছেন। উদ্ধার কার্যক্রম এখনও অব্যাহত রয়েছে।

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফি সরকারের পতনের পর থেকে লিবিয়া ইউরোপমুখী অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধ, দারিদ্র্য এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে মুক্তির আশায় আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বহু মানুষ মরুভূমি পেরিয়ে লিবিয়ায় পৌঁছান এবং সেখান থেকে বিপজ্জনক ভূমধ্যসাগরীয় পথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

এদিকে পৃথক আরেকটি ঘটনায় লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ‘ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার’ জানিয়েছে, উপকূলে আরেকটি নৌকাডুবির পর ১৩ জন অভিবাসীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ অভিবাসন ব্যবস্থা এবং মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে আরও কার্যকর আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে আসছে। 

তথ্যসূত্র: রয়টার্স