ঢাকা, বুধবার ০১, জুলাই ২০২৬ ১৭:৪৭:৩৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

এমবাপ্পের জোড়া গোলে সুইডেনকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় ফ্রান্স

খেলাধুলা ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:৪০ পিএম, ১ জুলাই ২০২৬ বুধবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

বিশ্বকাপে গোল করেই চলেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। গ্রুপ পর্বের পর নকআউট ম্যাচেও রীতিমত অপ্রতিরোধ্য বিশ্বকাপ জয়ী তারকা।তার জোড়া গোলে ভর করে সুইডিশদের ৩-০ ব্যবধানে বিধ্বস্ত করেছে ফ্রান্স।জোড়া গোলেই বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সর্বোচ্চ গোলের বিশ্বরেকর্ড গড়ার পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় লিওনেল মেসির আরও কাছে পৌঁছে গেছেন ফরাসি অধিনায়ক।

 এতে চলতি বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ থেকেই বিদায় হয়ে গেছে সুইডেনের। অন্যদিকে দাপুটে জয়ে ফ্রান্স নিশ্চিত করেছে শেষ ষোলো।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডের নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে (মেটলাইফ স্টেডিয়াম) আজ শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল ফরাসিদের হাতে। বলের দখল, আক্রমণের গতি আর সুযোগ তৈরি–সবকিছুতেই সুইডিশদের চেয়ে ঢের এগিয়ে ছিল তারা। প্রথম ৪৫ মিনিটে সুইডেনের ৩টি শটের বিপরীতে ফ্রান্স শট নিয়েছিল ১৫টি।

.
 

ম্যাচের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ চালায় ফ্রান্স। তবে পায়নি কাঙ্খিত জালের দেখা  । এমবাপ্পের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়, দুটি প্রচেষ্টা ফিরে আসে গোলপোস্টে লেগে। এছাড়া আরও কয়েকটি সুযোগ অল্পের জন্য হাতছাড়া হওয়ায় প্রথমার্ধজুড়ে হতাশাই ছিল ফরাসিদের সঙ্গী।শেষ পর্যন্ত বিরতির ঠিক আগে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে। ৪৫তম মিনিটে বক্সের বাঁ দিক থেকে বল পেয়ে দারুণ দক্ষতায় দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে নিখুঁত শটে গোল করেন এমবাপ্পে। গোল করার পর সম্প্রতি মাকে হারানো কোচ দিদিয়ের দেশমের কাছে ছুটে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরেন তিনি। প্রথমার্ধ শেষ হয় ফ্রান্সের ১-০ গোলের লিড নিয়ে।

.
বিরতির পর আক্রমণ আরও শানিত করে ফ্রান্স। আর এই আক্রমণের মূল কারিগর ছিলেন উইঙ্গার মাইকেল ওলিসে। গোল না পেলেও আজ ফ্রান্সের তিনটি গোলের পেছনেই অ্যাসিস্ট ছিল তার। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে ওলিসের নিখুঁত পাস থেকে স্বচ্ছন্দ ফিনিশে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা।

এরপর ৭৪ মিনিটে আবারও ওলিস-এমবাপ্পে জুটির ঝলক। ওলিসের চমৎকার রক্ষণচেরা পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করেন এমবাপ্পে। এই গোলেই বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৮। পাশাপাশি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে তার গোলসংখ্যা বেড়ে হয় ১০, যা বিশ্বমঞ্চের ইতিহাসে এককভাবে সর্বোচ্চ। তিনি ছাড়িয়ে গেছেন ব্রাজিলের রোনালদো নাজারিও ও লিওনিদাসকে (উভয়ের ৮ গোল)। একই সঙ্গে ২৯ ম্যাচ খেলা লিওনেল মেসির (১৯ গোল) চেয়ে তিনি এখন মাত্র ১ গোল পিছিয়ে আছেন।

বাকি সময়ে কেউই গোলের দেখা না পাওয়ায় ৩-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স। শেষ ষোলোতে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে প্যারাগুয়ে।