ঢাকা, মঙ্গলবার ০৭, জুলাই ২০২৬ ২২:২৮:৪১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

বিশ্বকাপে প্রথমবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-মিশর

খেলাধুলা ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৬:৪৩ পিএম, ৭ জুলাই ২০২৬ মঙ্গলবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

বিশ্বকাপে আজ মুখোমুখি হতে যাচ্ছে সময়ের দুই সেরা তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসি ও মোহাম্মাদ সালাহ। কোয়ার্টার-ফাইনালে মিশরের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় আজ মঙ্গলবার রাত ১০টায়।

বিশ্বকাপে প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছে এই দুটি দল। সব মিলিয়ে একবারের দেখায় ২-০ গোলে জিতেছিল আর্জেন্টিনা। ২০০৮ সালে কায়রোর সেই প্রীতি ম্যাচে চোটের কারণে খেলতে পারেননি লিওনেল মেসি।

কেপ ভার্দের বিপক্ষে দলের প্রথম গোলটি করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ২০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন মেসি। চলতি আসরে তার গোল সাতটি। তার সমান গোল নিয়ে গোল্ডেন বুটের লড়াই জমিয়ে তুলেছেন কিলিয়ান এমবাপে ও আর্লিং হলান্ড।

এখন দ্বিতীয় আর্জেন্টাইন ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের এক আসরে আট গোল করার হাতছানি মেসির সামনে। ১৯৩০ সালে উদ্বোধনী আসরে এই কীর্তি গড়েন গিয়ের্মো স্তাবিলে।

মিশরের বিপক্ষে জালের দেখা পেলে, কোনো বিশ্বকাপে নিজ দেশের প্রথম পাঁচ ম্যাচে গোল করা ষষ্ঠ খেলোয়াড় হবেন মেসি। এই কৃতিত্বের অধিকারীদের তালিকায় আছেন ১৯৫৮ সালে ফ্রান্সের জুস্ত ফঁতেন, ১৯৭০ সালে ব্রাজিলের জাইরজিনিয়ো, ১৯৭০ সালে জার্মানির জার্ড মুলার, ২০০২ সালে ব্রাজিলের রিভালদো ও ২০১৪ সালে কলম্বিয়ার হামেস রদ্রিগেস।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা তাদের সবশেষ ১০ ম্যাচের প্রতিটিতেই দুই বা এর বেশি গোল করেছে। টানা ১১ ম্যাচে এই নজির আছে শুধু উরুগুয়ের (১৯৩০ থেকে ১৯৫৪)।

বিশ্বকাপে মিশর তাদের সবশেষ ছয় ম্যাচে ৯ গোল হজম করেছে। এই ম্যাচগুলোয় আটটি গোলও করেছে তারা। বিশ্বকাপে টানা সাত ম্যাচে গোল করা ও হজম করা একমাত্র আফ্রিকান দেশ ঘানা (২০১০ থেকে ২০২২)।

মিশরের সবচেয়ে বড় তারকা মোহামেদ সালাহ চলতি বিশ্বকাপে গোলের ১৬টি সুযোগ তৈরি করেছেন। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দুটি সুযোগ তৈরি করতে পারলে, এক আসরে আফ্রিকার কোনো খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ সুযোগ তৈরির রেকর্ড স্পর্শ করবেন তিনি। ২০১০ সালে ঘানার হয়ে রেকর্ডটি গড়েন কেভিন-প্রিন্স বোয়াটেং।

পঞ্চম আফ্রিকান দল হিসেবে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার হাতছানি মিশরের সামনে। এই স্বাদ পেয়েছে ক্যামেরুন (১৯৯০), সেনেগাল (২০০২), ঘানা (২০১০) ও মরক্কো (২০২২ ও ২০২৬)।

প্রতিপক্ষ মিসরকে সমীহ করে স্কালোনি বলেছেন, ‘মিসর দারুণ দল। তাদের খেলার একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল রয়েছে। তারা রক্ষণভাগ মজবুত করে প্রতিপক্ষকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলে। আমাদের বিপক্ষেও তারা এটাই করবে। দলটি অত্যন্ত শক্ত প্রতিপক্ষ। আর সালাহ একজন বড় মাপের খেলোয়াড়। তাঁর মুখোমুখি হওয়াটা রোমাঞ্চের। মিসর এই জায়গায় আসাটা প্রাপ্য ছিল।’