ঢাকা, সোমবার ১৩, জুলাই ২০২৬ ১৬:২৯:৩৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

বন্যায় প্রাণহানী বেড়ে ৫১, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৫০ এএম, ১৩ জুলাই ২০২৬ সোমবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

পাহাড়ি ঢল, টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ধসের ঘটনায় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত জেলায় এখন পর্যন্ত বন্যা ও সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। 

দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন এবং পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮ পরিবারের সদস্যরা। এছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন।

রোববার (১২ জুলাই) বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ—এই সাত জেলার ৫৮টি উপজেলা এবং ৩৮৬টি ইউনিয়ন ও ১১টি পৌরসভা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। দুর্গত মানুষের জন্য ১১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। 

জেলাভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। সেখানে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। এছাড়া আহত হয়েছেন ২৪ জন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

চট্টগ্রামে মারা গেছেন ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙ্গামাটিতে ৩ জন, মৌলভীবাজারে একজন এবং অন্যান্য জেলায়ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

সবচেয়ে বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চট্টগ্রামে। জেলাটির ১৬টি উপজেলায় প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং পানিবন্দি হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ পরিবার। কক্সবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫৮ হাজারেরও বেশি।

দুর্গত মানুষের জন্য ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এখন পর্যন্ত সাতটি বন্যাকবলিত জেলার জন্য নগদ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া দেশের ৬৪ জেলার জন্য মোট ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত সহায়তা দেওয়া যায়।