ঢাকা, মঙ্গলবার ২১, জুলাই ২০২৬ ১৯:৫০:০৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

স্পোর্টস  ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৪৬ এএম, ২০ জুলাই ২০২৬ সোমবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থেকেও গোলের দেখা পচ্ছিলো না স্পেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো গোল না হওয়ায় অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ। সেখানে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শিরোপা জিতলো স্পেন।

এর আগে ২০১০ সালে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেন। এতে দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুললো স্প্যানিশরা।

ম্যাচ শুরুর কয়েক মিনিটেই ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় স্পেন। ম্যাচের ৫ মিনিটেই ভালো সুযোগ তৈরি করে তারা। ইয়ামাল বক্সে ক্রস বাড়ানোর চেষ্টা করেন এবং বলটি ডিফ্লেক্ট হয়ে ওলমোর কাছে চলে যায়। ওলমো দারুণভাবে বলটি আবার তার দিকেই বাড়িয়ে দেন। ইয়ামাল বলটি নিয়ন্ত্রণে নেন। কিন্তু লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও এমিলিয়ানো মার্টিনেজের যৌথ প্রচেষ্টায় বলটি জালে জড়াতে পারেনি!

ম্যাচের সময় যত বেড়েছে ততই ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে স্পেন। প্রথমার্ধে ৩টি শট নিয়ে ২টা লক্ষ্যে রেখেছে স্প্যানিশরা। তবে আর্জেন্টিনা কোনো শটই নিতে পারেনি।

৪১ মিনিটে ওয়ারজাবালকে ফাউল করে বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। দুই মিনিট পর ইনজুরির লক্ষণ নিয়ে তিনি নিকোলাস ওতামেন্দির বদলি হন। একই সময়ে কুকুরেয়ার দারুণ একটি প্রচেষ্টা ডানপাশের পোস্টের সামনে দিয়ে মাঠের বাইরে যায়।

প্রথমার্ধে ৫ শতাংশ বল পজেশনে রেখেছিল স্পেন। মাত্র ৩৫ শতাংশ আর্জেন্টিনা। পাসেও দ্বিগুণ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল স্পেন। আর্জেন্টিনার ১৫৫ নিখুঁত পাসের বিপরীতে তাদের ৩১৩!

প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেও দাপট দেখিয়েছে স্পেন। বেশ কিছু আক্রমণ করে। তবে তা রুখে দেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ম্যাচের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটের সময় বেপরোয়া ট্যাকল করে স্প্যানিশ খেলোয়াড়কে ফাউল করলে এনজোকে ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান। এর ফলে সঙ্গে সঙ্গেই লাল কার্ডে বহিষ্কার হন আর্জেন্টাইন এই মিডফিল্ডার।

অতিরিক্ত সময়ের ৯৬ মিনিটে বল জালে জড়ান নিকো উইলিয়ামস। তবে তা ফাউলের কারণে বাতিল হয়ে যায়। তবে ১০৬ মিনিটে ঠিকই গোল আদায় করে নেয় স্পেন। নিকো উইলিয়ামসের অ্যাসিস্টে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ফেরান তোরেস।

এরপর সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। বেশ কিছু আক্রমণ করেও ব্যর্থ হয় তারা। এতে রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন স্পেনের ফুটবলাররা।