ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ১১:৪৪ এএম, ২৬ জুলাই ২০২৬ রবিবার
সংগৃহীত ছবি
নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এর পরপরই ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জ্যেষ্ঠ নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই নতুন দায়িত্বের কথা ঘোষণা করা হয়।
বর্তমানে প্রহ্লাদ ভেঙ্কটেশ জোশী ভারতের কেন্দ্রীয় ভোক্তা অধিকার, খাদ্য ও গণবণ্টন এবং নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। নিজের এই দুটি মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি তিনি এখন থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদারকিও করবেন। ২০২৪ সালে গঠিত নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় ফিরে আসা পাঁচবারের এই আইনপ্রণেতাকে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের অন্যতম আস্থাভাজন নেতা হিসেবে গণ্য করা হয়।
১৯৬২ সালের নভেম্বরে উত্তর কর্ণাটকের এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন প্রহ্লাদ জোশী। অল্প বয়সে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে তার সামাজিক জীবনের সূচনা হয়। পরে ১৯৯৬ সালে কর্ণাটক বিধানসভায় নির্বাচিত হয়ে মূলধারার রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি।
পরবর্তী সময়ে ২০০৪ সালে ধারওয়াদ-হুব্বালী লোকসভা আসন থেকে বিজয়ী হয়ে তিনি ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে আসেন। এরপর থেকে প্রতিটি সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন তিনি। ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় তিনি প্রথমবার সংসদীয় বিষয়কমন্ত্রী এবং কয়লা ও খনি মন্ত্রীর দায়িত্ব পান।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কর্ণাটকের প্রভাবশালী লিঙ্গায়েত সম্প্রদায়ের একটি অংশের বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়েছিল এই নেতাকে। তবে বিজেপির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পাসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে সেই সংকট কেটে যায়। সমস্ত রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে প্রহ্লাদ জোশী কর্ণাটক রাজ্য শাখা ও জাতীয় পর্যায়ে বিজেপির অন্যতম প্রভাবশালী মুখ হিসেবে নিজের অবস্থান অটুট রেখেছেন।
