বান্ধবীদের নিয়ে উত্তরার বইয়ের দোকানে জাইমা রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ১০:১৫ পিএম, ১৪ আগস্ট ২০২৬ শুক্রবার
ফাইল ছবি।
রাজনীতির ব্যস্ততা কিংবা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুর বাইরে একেবারেই অন্যরকম এক ভূমিকায় দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে। আজ শুক্রবার বিকেলে বান্ধবীদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর উত্তরার একটি বইয়ের দোকানে যান তিনি। সেখানে বেশ কিছু সময় কাটান এবং নিজের পছন্দের বই দেখেন ও কেনেন।
সাধারণ পোশাকে বান্ধবীদের সঙ্গে জাইমাকে বইয়ের দোকানে দেখে উপস্থিত অনেকেই আগ্রহ নিয়ে তাঁর দিকে তাকান। তবে তিনি ছিলেন বেশ স্বাভাবিক ও নিরিবিলি পরিবেশে। বই দেখা, পছন্দ করা এবং কেনার মধ্যেই কেটে যায় তাঁর বিকেলের সময়।
বইয়ের প্রতি জাইমা রহমানের আগ্রহ অবশ্য নতুন নয়। এর আগেও বই নিয়ে তাঁকে আলোচনায় আসতে দেখা গেছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দেশে ফেরার সময় বিমানে তাঁর পাশে রাখা ‘দ্য পেঙ্গুইন বুক অব বেঙ্গলি শর্ট স্টোরিজ’ বইটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছিল। বইটিতে বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য ছোটগল্পের ইংরেজি অনুবাদ রয়েছে।
বইয়ের দোকানে স্বতঃস্ফূর্ত জাইমা
উত্তরার সেন্টার পয়েন্টের জাপানীজ বুকশপ ‘বুক কিনোকুনিয়া’য় জাইমাকে দেখে উপস্থিত কয়েকজনের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। তবে তিনি সেখানে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি বা আনুষ্ঠানিক আয়োজনে যাননি—ছিলেন একান্তই ব্যক্তিগত সময় কাটাতে।
বইপ্রেমীদের কাছে তার এই উপস্থিতি তাই আলাদা আগ্রহের জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও জাইমার বই কেনার বিষয়টি নিয়ে পোস্ট ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। একটি সাম্প্রতিক ভিডিও পোস্টে তাঁকে বই কিনতে যাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবং উত্তরা বুক হাউসের কথাও বলা হয়েছে।
বইয়ের সঙ্গে জাইমার সম্পর্ক
দীর্ঘ প্রবাসজীবনের পর দেশে ফেরার সময়ও বই ছিল জাইমার সঙ্গী। তাঁর পাশে থাকা ‘দ্য পেঙ্গুইন বুক অব বেঙ্গলি শর্ট স্টোরিজ’ নিয়ে তখন পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা হয়। বইটি সম্পাদনা ও অনুবাদ করেছেন অরুণাভ সিনহা।
রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হিসেবে জাইমা রহমানকে নিয়ে মানুষের আগ্রহ সবসময়ই বেশি। তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের স্বাভাবিক ও সাধারণ মুহূর্তগুলোও তাই সহজেই মানুষের নজর কাড়ে। উত্তরার বইয়ের দোকানে বান্ধবীদের সঙ্গে তাঁর আজকের বিকেলটিও যেন সেই আগ্রহেরই আরেকটি উদাহরণ।
রাজনীতির পরিচিত আবহের বাইরে বইয়ের পাতায় ডুবে থাকা জাইমার এই মুহূর্তটি তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে—কোন বই কিনলেন তিনি, সেটিই এখন বইপ্রেমীদের আগ্রহের বিষয়।
