ঢাকা, রবিবার ২৩, আগস্ট ২০২৬ ৫:২১:২৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

বাজারে মাছের দামে আগুন, মুরগি-ডিমের দাম ও চড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:০৪ এএম, ২২ আগস্ট ২০২৬ শনিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর খুচরা বাজারে একের পর এক নিত্যপণ্যের দামের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস উঠেছে ক্রেতাদের। বর্তমানে মাছের বাজারে রীতিমতো ‘আগুনে’ অবস্থা, অন্যদিকে অতিরিক্ত দামের কারণে হাত দেওয়া যাচ্ছে না মুরগি ও ডিমের গায়েও। ফলে উচ্চমূল্যের দাপটে খাদ্য তালিকা থেকে প্রোটিনের জোগান কমানো ছাড়া সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষের সামনে আর কোনো উপায় থাকছে না। 

শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় পণ্যের এই অগ্নিমূল্য দেখা গেছে।

জানা যায়, মাছের বাজারে ২৫০ টাকার নিচে কোনো মাছই এখন মিলছে না। বাজারে প্রতি কেজি পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মধ্যবিত্তের পছন্দের রুই-কাতলা কিনতে গুনতে হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা। অন্যদিকে মাঝারি সাইজের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা হলেও ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। অন্যদিকে গরুর মাংসের দাম দাঁড়িয়েছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে।

সাধারণ ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বাজারে আড়াইশ টাকার কম দামের কোনো মাছ না থাকায় তাদের পক্ষে নিয়মিত কেনাকাটা করাই অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

বাজারের এমন আগুনে পরিস্থিতিতে রায়েরবাজারের ক্রেতা সাইদ মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, বাজারে এখন কোনো কিছুতেই হাত দেওয়ার জো নেই। আড়াইশ টাকার নিচে এক কেজি সাধারণ তেলাপিয়া মাছও মিলছে না। সীমিত আয়ের মানুষ নিয়ে আমরা কীভাবে বাঁচব?

মাছের পাশাপাশি মুরগি ও ডিমের বাজারেও অস্বস্তিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দর অপরিবর্তিত থাকলেও ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকার বাড়তি দামেই কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। দেশি মুরগির কেজি গিয়ে ঠেকেছে ৬৫০ টাকায়। আর ডিমের বাজার আরও চড়া; লাল ডিমের ডজন ১৫০ টাকা পর্যন্ত ঠেকলেও পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে তা বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়।

বিক্রেতারা অবশ্য দাবি করছেন, মুরগি ও মাছের দাম আগের সপ্তাহের মতো চড়েই আছে, নতুন করে বড় কোনো লাফ দেয়নি। 

বাজারে আসা ক্রেতারা জানান, আয় না বাড়লেও প্রতিদিন এভাবে মাছ, মুরগি ও ডিমের খরচ বাড়তে থাকায় সংসার চালানো তাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অল্প কিছু কেনাকাটা করতেই আগের চেয়ে দ্বিগুণ টাকা চলে যাচ্ছে। অবিলম্বে বাজার তদারকি জোরদার না করা হলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের দৈনন্দিন দিনযাপন আরও সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।