ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭, আগস্ট ২০২৬ ১৬:১৫:৩৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

আজ বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন 

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৫১ পিএম, ২৭ আগস্ট ২০২৬ বৃহস্পতিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন আজ বেলা ৩টায় বসছে। এবারের অধিবেশনে সংসদীয় কমিটি গঠনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিনি।

সংসদের চিফ হুইপ বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সদস্যদের নাম পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিগুলো চূড়ান্ত করা হবে। অধিবেশনটি ৫, ৭ অথবা ১০ দিনের সংক্ষিপ্ত অধিবেশন হতে পারে। তবে প্রয়োজন হলে এর মেয়াদ বাড়ানও হবে। তৃতীয় অধিবেশনে প্রায় ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপিত হতে পারে। এর মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর, গুম এবং মানবাধিকার সুরক্ষা-সংক্রান্ত বিল উল্লেখযোগ্য।

সম্পত্তি হস্তান্তর-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইনের বিষয়ে তিনি বলেন, বাবা-মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দিলেও তারা জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তির ভোগদখল ও ব্যবহারের অধিকার বজায় রাখতে পারবেন। এর মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের পর বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের অবহেলা রোধের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

জুলাই সনদ ও সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, জুলাই সনদের ধারাবাহিকতায় জনগণ নির্বাচনি ইশতেহার দেখেই ভোট দিয়েছেন এবং সরকারের ওপর আস্থা রেখেছেন। সেই আস্থার ভিত্তিতেই তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। দেশের স্বার্থে প্রয়োজন হলে নতুন আইন প্রণয়ন এবং বিদ্যমান আইনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে।

তিনি বলেন, সংবিধানের একটি কমা, দাঁড়ি কিংবা সেমিকোলনের পরিবর্তনও সংবিধান সংস্কারের অংশ। জুলাই সনদে দক্ষিণ প্লাজায় রাজনৈতিক দলগুলো সম্মিলিতভাবে যে অঙ্গীকারে স্বাক্ষর করেছে, তার প্রতিটি বিষয় যথাযথভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে।

চিফ হুইপ জানান, সংবিধান সংশোধনের জন্য ১৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এতে বিএনপি থেকে সাতজন এবং জামায়াত থেকে পাঁচজন সদস্য রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যান্য ছোট দল থেকেও একজন করে সদস্য রাখার প্রস্তাব রয়েছে। বিরোধী দল তাদের সদস্যদের নাম দিলে তাদেরও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এ দিকে সংসদের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন। অধিবেশন চলাকালে সবাইকে নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বা কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে।