ঢাকা, মঙ্গলবার ০১, সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪:০৩:৫৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

নেপালে বন্যায় প্রাণহানী বেড়ে ৯৫৫, নিখোঁজ ৪৪৭১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৫২ এএম, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

নেপাল-চীন সীমান্তে গত সপ্তাহের আকস্মিক বন্যায় ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বন্যার পানির সঙ্গে আসা ঘন কাদা অনেক স্থাপনা ও অবকাঠামো ঢেকে ফেলায় উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৪ হাজার ৪৭১ জন।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে নেপালের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল নিয়ে। ঘন কাদায় টানেল ও প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা ঢেকে যাওয়ায় সেখানে আটকা পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছেন উদ্ধারকারীরা। বিভিন্ন প্রকল্পের ৯০০-এর বেশি শ্রমিক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

উদ্ধারকারীরা আশঙ্কা করছেন, টানেলের ভেতরে আটকা পড়া শ্রমিকদের কাছে পৌঁছাতে দেরি হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। কাদার ঘনত্ব ও ধ্বংসস্তূপের কারণে উদ্ধারকাজও ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এদিকে বিপর্যয় এতটাই ভয়াবহ যে শত শত অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ গণকবর দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় এসব মরদেহের শেষকৃত্য নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।

চীনের সীমান্তবর্তী গিরং বন্দর এলাকাতেও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সেখানে একটি পানির টাওয়ার ছাড়া প্রায় সব স্থাপনাই ধ্বংস হয়ে গেছে।

এর মধ্যেই নতুন করে আবহাওয়া খারাপ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চীনের আবহাওয়াবিদরা গিরং এলাকায় বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার সতর্কতা দিয়েছেন। এতে কাছাকাছি একটি বাধা হ্রদের পানির উচ্চতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে উদ্ধারকাজের পাশাপাশি নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকিও মোকাবিলা করতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে নিখোঁজদের সন্ধান এবং জীবিতদের উদ্ধারে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্গম এলাকা ও কাদায় ঢেকে যাওয়া অবকাঠামো।