ঢাকা, বুধবার ০২, সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৫৬:৪৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

খুলনায় মাঝ নদীতে ফেরি-ট্রলার সংঘর্ষ, উদ্ধার ৪০

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৪৬ এএম, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

খুলনার ভৈরব নদের জেলখানা ঘাট এলাকায় ফেরির সঙ্গে সংঘর্ষে একটি যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবে গেছে।  মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১০টার দিকে মাঝনদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রলারটিতে ৩৫ থেকে ৪০ জন যাত্রী ছিলেন বলে স্থানীয়দের ধারণা।


সংঘর্ষের পর ট্রলারের যাত্রীরা নদীতে পড়ে গেলে স্থানীয় নৌযান, সাধারণ মানুষ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারকাজে নেমে পড়েন। প্রাথমিকভাবে নিখোঁজ বলে ধারণা করা ৩০ থেকে ৩৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। তবে এখন পর্যন্ত নতুন করে কোনো নিখোঁজের তথ্য পাওয়া যায়নি।

নৌপুলিশের কেএমপি সদর নৌ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রবিউল ইসলাম জানান, সেনের ঘাট থেকে একটি ফেরি এবং জেলখানা ঘাট থেকে একটি ট্রলার ছেড়ে আসে। মাঝনদীতে ফেরি ও ট্রলাটির মধ্যে সংঘর্ষ হলে ট্রলারটি ডুবে যায়।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনার পর নদীর দুই পাড় থেকে ১৫ থেকে ২০টি নৌকা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। এ ঘটনায় ৫ থেকে ৬ জন সামান্য আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নৌপুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো যাত্রী নিখোঁজ থাকার তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ভাটির দিকে নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় নৌপুলিশ স্পিডবোট নিয়ে এলাকায় নজরদারি করছে।

খুলনা বিভাগের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক মো. মাসুদ সরদার বলেন, খবর পেয়ে খুলনা থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। এ ছাড়া নড়াইলে উদ্ধারকাজ শেষে ফেরার পথে থাকা একটি ডুবুরি দলও তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে যোগ দেয়।

তিনি জানান, স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে পড়ে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নিখোঁজ বলে ধারণা করা ৩০ থেকে ৩৫ জনকেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি এখনো উদ্ধার করা যায়নি।

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সংঘর্ষের পর ফেরিটির ইঞ্জিন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর দ্রুত কয়েকটি নৌকা ঘটনাস্থলে গিয়ে নদীতে পড়ে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করে। নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় যাত্রীদের ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

এদিকে রাকিব নামে এক যুবককে নিয়ে তার পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তার এক বন্ধু জানান, রাত ৯টা পর্যন্ত তারা একসঙ্গে ছিলেন। পরে রাকিব ঘাটের দিকে যাওয়ার পর তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। রাকিবের মা জানিয়েছেন, তিনি এখনো বাড়ি ফেরেননি। তবে রাকিব ওই ট্রলারে ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।