ঢাকা, শুক্রবার ১১, সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:২৩:২০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

কর্মী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিয়ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৫৬ এএম, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারানোর পর নতুন কাজ বা স্পন্সর খোঁজার জন্য এইচ-১বিসহ বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরির বিদেশি দক্ষ কর্মীদের এতদিন যে ৬০ দিনের বিশেষ সুবিধা (গ্রেস পিরিয়ড) দেওয়া হতো, তা বাতিলের প্রস্তাব করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির (ডিএইচএস) বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর রয়টার্সের। 

ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত এই প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, চাকরি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এইচ-১বি ভিসাধারী ও নির্দিষ্ট কিছু অস্থায়ী বিদেশি কর্মীকে অনতিবিলম্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করতে হবে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের বৈধ অভিবাসন কমানোর এটিই সর্বশেষ পদক্ষেপ।

প্রস্তাবিত এই পরিবর্তন বাস্তবায়ন হলে তা সিলিকন ভ্যালির শীর্ষ তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে। বিদেশি কর্মীদের চলে যাওয়ার ফলে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটতে পারে স্বীকার করে ডিএইচএস জানায়, এসব পদে পরবর্তীতে যোগ্য আমেরিকানদের নিয়োগ দেওয়া যাবে। কোনো কর্মী চাইলে নিজ দেশে ফিরে গিয়ে নতুন করে আবেদনের সুযোগ পাবেন।

২০১৭ সাল থেকে চালু থাকা এই ৬০ দিনের সুবিধায় বিদেশি কর্মীরা নতুন চাকরি খোঁজার পাশাপাশি বাড়ি বিক্রি করা বা সন্তানদের স্কুল ছাড়ানোর মতো ব্যক্তিগত কাজ গুটিয়ে নেওয়ার সময় পেতেন। ইউসি ডেভিস স্কুল অব ল-এর অধ্যাপক গ্যাব্রিয়েল চিন এবং অভিবাসন সংগঠন ‘এফডব্লিউডি.ইউএসের’ প্রেসিডেন্ট টড শুল্টে এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তারা জানান, এই পদক্ষেপে কর্মীদের সাথে মার্কিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোও বিপাকে পড়বে।

১৯৯০ সালে প্রবর্তিত এইচ-১বি ভিসা প্রধানত ভারত ও চীনের প্রযুক্তিবিদদের ওপর নির্ভরশীল। এটি মার্কিন আইটি প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়াও ডেলয়েট, পিডব্লিউসি, আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং এবং টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), ইনফোসিস, এইচসিএল টেক ও এলটিআইমাইন্ডট্রির মতো গ্লোবাল কনসালটিং ও আউটসোর্সিং ফার্মগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে থাকে।

নতুন প্রস্তাবটি চূড়ান্ত করার আগে দুই মাসের জন্য সাধারণ মানুষের মতামতের উদ্দেশ্যে রাখা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে এইচ-১বি ছাড়াও ই-১, ই-২, এল-১, ও-১, টিএন, এইচ-১বি ১ এবং ই-৩ ভিসাধারীরা সরাসরি প্রভাবিত হবেন।