ঢাকা, সোমবার ১৪, সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪:০৯:৫৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

ময়মনসিংহে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:০২ পিএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সোমবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) এবং অন্যজন ডেঙ্গু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৫৫ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৫৮ জন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত ডেঙ্গু পরিস্থিতির সামারিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৩১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৮৩ জন, মহিলা ৪২ জন এবং শিশু ৬ জন।

চলতি বছর এ পর্যন্ত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ২ হাজার ১৭৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি মারা যাওয়া দুজন হলেন ভালুকা উপজেলার রাশিদা খাতুন (৪২) এবং গাজীপুরের শ্রীপুরের জাফর আলী (৭০)।

রাশিদা খাতুন ভালুকা উপজেলার নুর হোসেনের স্ত্রী। তিনি ১১ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি হন। ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা ৩০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর প্রাথমিক কারণ হিসেবে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জাফর আলী গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার জৈনা বাজার এলাকার মৃত আব্দুল হোসেনের ছেলে। গতকাল ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ১৪ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর প্রাথমিক কারণ হিসেবে এক্সপ্যান্ডেড ডেঙ্গু সিনড্রোমের সঙ্গে তীব্র শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা, সেপসিস, সেপটিক শক ও রক্ত জমাট বাঁধার জটিলতা (ডিআইসি) উল্লেখ করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন অধ্যাপক ডা. এমদাদুল্লাহ খান বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। প্রতিদিন নতুন করে রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। একই সঙ্গে অনেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে পারে, বিশেষ করে জটিলতা দেখা দিলে পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে ওঠে। তাই জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।