ঢাকা, শনিবার ১৯, সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫২:২৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

সিএনএনসহ ৩ গণমাধ্যম নিষিদ্ধ করলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৫৩ এএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শনিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘বৈরী’ ও ‘ভুয়া খবর’ পরিবেশনের অভিযোগ তুলে তিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম— সিএনএন, এমএসনাউ ও পলিটিকোকে হোয়াইট হাউজে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন।

শুক্রবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক ঘোষণায় ট্রাম্প অবিলম্বে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার কথা বলেছেন।


সেইসঙ্গে ভবিষ্যতে আরো কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের ওপর একই ধরনের কড়াকড়ি আরোপের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর জন্য নতুন এক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

সোশাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “অনবরত 'ভুয়া খবর' পরিবেশন করার কারণে আমি অবিলম্বে সিএনএন, এমএসনাউ ও পলিটিকোকে হোয়াইট হাউজে নিষিদ্ধ করছি।”

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, ট্রাম্প প্রশাসন কিংবা আমেরিকাকে নিয়ে সংবাদ পরিবেশনের সময় সংবাদমাধ্যমগুলোর মনগড়া তথ্য ও মিথ্যা প্রচার চালানোর সুযোগ থাকা উচিত নয়। অন্যান্য 'ফেক নিউজ' মিডিয়ার বিরুদ্ধেও একই পদক্ষেপ আসছে।”

তবে এই নিষেধাজ্ঞা ঠিক কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে পোস্টে বিস্তারিত বলেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ওভাল অফিসে স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে ট্রাম্পের এই ঘোষণা আসে।

অনুষ্ঠান শেষে ট্রাম্পের সংবাদ সংগ্রহের কাজে যুক্ত ‘প্রেস পুল’কে সঙ্গে নিয়ে ভার্জিনিয়ায় তার গলফ ক্লাবে নিজের ‘সুপার প্যাক’ আয়োজিত বৈঠক ও নৈশভোজে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। সেখান থেকে সাপ্তাহিক ছুটি কাটাতে তাদের ক্যাম্প ডেভিডে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা সাংবাদিকদের জন্য সীমিত প্রবেশাধিকারের স্থানগুলোর একটি।

ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই তার প্রতি সমালোচনামূলক সংবাদ পরিবেশন নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মামলা করা কিংবা ব্যক্তিগতভাবে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাংবাদিকদের আক্রমণ করে কথা বলার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে তার।

এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ‘মেক্সিকো উপসাগরের’ নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত ট্রাম্পের নীতি অনুসরণ না করায় বার্তা সংস্থা এপির ওপর ক্ষুব্ধ হন তিনি। সে সময় ওভাল অফিস, এয়ার ফোর্স ওয়ান এবং সীমিত পরিসরের বিভিন্ন ইভেন্টে এপির সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

পরে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে এপি, যা এখনও বিচারধীন।