ঢাকা, বুধবার ০৭, অক্টোবর ২০২৬ ৬:০৩:৩৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৫১ এএম, ৬ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

আজ ৬ অক্টোবর জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য—‘নির্ভুল নিবন্ধন, নিশ্চিত হবে সুশাসন’।


সঠিক ও নির্ভুল জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নাগরিকের অধিকার সুরক্ষার অন্যতম ভিত্তি। একই সঙ্গে উন্নয়ন পরিকল্পনা, জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, ন্যায়সংগত বাজেট বণ্টন এবং রাষ্ট্রীয় সুশাসন নিশ্চিত করতেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করার সরকারি লক্ষ্য অর্জনে কিছু আইনি দুর্বলতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।


সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।


বর্তমানে বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের গড় হার যথাক্রমে ৫০ ও ৪৭ শতাংশ। অর্থাৎ এখনো দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ নিবন্ধনের বাইরে রয়েছে। ফলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক অধিকার পেতেও অনেককে নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।


সময়মতো ও নির্ভুল নিবন্ধন না থাকায় শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ, মানবপাচারসহ বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে। এতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।


অন্যদিকে, মৃত্যু নিবন্ধন না থাকায় উত্তরাধিকার প্রমাণে জটিলতা তৈরি হয়। একই সঙ্গে আত্মীয়দের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের ঝুঁকিও বাড়ে। বিশেষ করে গ্রাম, চরাঞ্চল, পাহাড়ি এলাকা ও নগরের বস্তি এলাকায় মৃত্যু নিবন্ধনের হার অনেক কম।


বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নির্ভুল নিবন্ধন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪’ সংস্কার করা প্রয়োজন।


পরিবারের ওপর এককভাবে নিবন্ধনের দায়িত্ব না রেখে সব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে সরাসরি নিবন্ধনের দায়িত্ব দেওয়া হলে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জন্ম নেওয়া প্রায় ৬৭ শতাংশ শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ভুল নিবন্ধনের আওতায় আসবে।


এতে তথ্য বিকৃতির সুযোগ কমবে, ভুয়া ও ভুল নিবন্ধন বন্ধ হবে। পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সবার জন্য আইনি পরিচয় নিশ্চিত করার বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনও দ্রুততর হবে।


জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এক প্রতিক্রিয়ায় গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, সুশাসন নিশ্চিত করার প্রথম শর্তই হলো নাগরিকদের নির্ভুল ও সার্বজনীন তথ্য সংরক্ষণ।


তিনি বলেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ সংস্কার করে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবন্ধনের বাধ্যতামূলক দায়িত্ব দিলে ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ নিবন্ধনের লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে।