ঢাকা, শুক্রবার ৩০, অক্টোবর ২০২৬ ১৩:২১:০১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

বাংলাদেশসহ ১০ দল নিয়ে আইসিসির নতুন টুর্নামেন্ট

খেলাধুলা ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:০৬ এএম, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ শুক্রবার

বাংলাদেশ অনূধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেট দল। ছবি: আইসিসি

বাংলাদেশ অনূধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেট দল। ছবি: আইসিসি

নারী ক্রিকেটের নতুন সম্ভাবনা ও প্রতিভা তুলে ধরতে ফিরছে ইমার্জিং নেশনস ট্রফি। দশ দলের এই আসরে প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিয়েছে আইসিসির পাঁচটি পূর্ণ সদস্য দেশ। আগামী ১২ নভেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানে শুরু হতে যাওয়া এই প্রতিযোগিতায় মাঠে নামবে বাংলাদেশও।

আগামী ১২ নভেম্বরে নারী ক্রিকেটের ইমার্জিং নেশনস ট্রফির দ্বিতীয় আসর শুরুতে হতে যাচ্ছে। যা  চলবে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত। বাংলাদেশ ছাড়াও পূর্ণ সদস্য দেশ হিসেবে অংশ নেবে আয়ারল্যান্ড, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে। তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে পাঁচ সহযোগী সদস্য দেশ নেদারল্যান্ডস, পাপুয়া নিউগিনি, স্কটল্যান্ড, থাইল্যান্ড ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

আজমানের কারওয়ান স্পোর্টস ও সেভেন ডিস্ট্রিক্টস মাঠে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচগুলো। অংশগ্রহণকারী ১০টি দলকে ভাগ করা হয়েছে দুটি গ্রুপে। গ্রুপ পর্বের লড়াই শেষে হবে সুপার সিক্স পর্ব, এরপর অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে আয়ারল্যান্ড, পাপুয়া নিউগিনি, স্কটল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। গ্রুপ ‘বি’-তে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ে।

উদীয়মান দলগুলোর আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বাড়ানো এবং নারী ক্রিকেটের বিকাশ ত্বরান্বিত করতেই এবারের আসরে দলের সংখ্যা বাড়িয়েছে আইসিসি। পূর্ণ ও সহযোগী সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত অংশগ্রহণে ক্রিকেটাররা ভিন্ন ভিন্ন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের দক্ষতা যাচাইয়ের সুযোগ পাবেন।

আইসিসির ইভেন্টস ও ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের মহাব্যবস্থাপক গৌরব সাক্সেনা জানান, ১০ দলের অংশগ্রহণ প্রতিযোগিতাটিকে আরও অর্থবহ করে তুলবে। তাঁর মতে, এই আয়োজন ক্রিকেটারদের উচ্চমানের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটের ধারাবাহিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে।

২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম আসরে শিরোপা জিতেছিল থাইল্যান্ড। পয়েন্ট তালিকায় থাইল্যান্ডের সঙ্গে সমতায় ছিল স্কটল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। শেষ পর্যন্ত নেট রান রেটের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় দলগুলোর অবস্থান। ওই আসরে উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্সের সুবাদে কয়েকজন ক্রিকেটারের উন্নতি হয়েছিল আইসিসির নারী টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে।